তৃণমূল আমলে হয়নি সংস্কার! রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেতু ক্রমশ রুগ্ন হয়েছিল বলে অভিযোগ। এবার ওই সেতুই ভেঙে পড়ল (Bridge Collapse) নদীতে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের (Cooch Behar) শীতলকুচি এলাকায়। এদিন সকালে একটি ইটবোঝাই লরি ওই সেতুর উপর দিয়ে যাচ্ছিল। তখনই ঘটে এই বিপত্তি। চলাচলের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু ভেঙে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা কীভাবে হবে? সেই নিয়ে শুরু হয়েছে দুশ্চিন্তা।
আরও পড়ুন:
শীতলকুচির ফক্কোরের হাট-পঞ্চারহাট সড়কের দেওশাল সেতু। নীচ দিয়ে স্থানীয় একটি নদী বয়ে গিয়েছে। দু’পাড়ের মধ্যে সংযোগস্থাপন ও অন্যান্য জায়গায় যাওয়ার জন্য এই সেতু ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এদিন সকালে একটি ইটবোঝাই লরি ওই সেতুর উপর দিয়ে যাচ্ছিল। গাড়িটি মাঝসেতুতে থাকার সময়ই ঘটে বিপত্তি। সেতুটির মাঝের অংশ ভেঙে লরি-সমেত নদীবক্ষে বসে যায়! বিকট শব্দে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় পুলিশ-প্রশাসনে।

স্থানীয়রাই উদ্যোগ নিয়ে লরির চালককে উদ্ধার করেন। তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শীতলকুচি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। গাড়ি থেকে ইট নামিয়ে লরিটিকে উপরে নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু আস্ত সেতুর এমন দশা হল কীভাবে? স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই সেতুটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। তৃণমূল সরকারের সময় একাধিকবার সেতুটি সারাইয়ের আবেদন, অনুরোধ করা হলেও কাজ হয়নি! ফলে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্রমশ সেতুটি দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। সেতুটিকে দুর্বল ঘোষণা করাও হয়েছিল। তবে ভারী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
নিত্যদিন ভারী গাড়ি ওই সেতু দিয়ে যাতায়াত করত। প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। ঘটনায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। সেতু ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে এবার যথেষ্ঠ সমস্যায় পড়তে হল। এমনই জানিয়েছেন স্থানীয়রা। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া নিয়ে প্রশাসনও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘ত্যাজ্য’ করেছে রাজপরিবার, ৬ বছর পর ব্রিটেনে ফিরে হ্যারি-মেগানকে কত কর দিতে হচ্ছে?
-
অরুণাচলে বাড়ছে চিনা আগ্রাসন! সীমান্ত সমস্যা মেটাতে সোমেই বেজিং সফরে ডোভাল
-
ওমানে চলন্ত গাড়ি উলটে ভয়ংকর দুর্ঘটনা, নিহত ১, গুরুতর আহত ৯, সকলেই ভারতীয়
-
২ হাজারেরও বেশি শূন্যপদে ব্যাঙ্ক অফ বরোদায় কর্মী নিয়োগ, স্নাতক হলেই করুন আবেদন
-
জার্সি বদলেছে, মরচে ধরেনি মগজাস্ত্রে, এখনও ডার্বির ‘রাজা’ হাবাসই