বোনের খোঁজে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গুলিবিদ্ধ ২ দাদা, অভিযুক্ত জামাই

অভিযুক্তর বাবা পুলিশের জালে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৬:৪৫

options
link
বোনের খোঁজে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গুলিবিদ্ধ ২ দাদা, অভিযুক্ত জামাই

শঙ্কর রায়, রায়গঞ্জ: বেশ কয়েক দিন ধরে বোনের খবর নেই। তাঁর সন্ধানে হবু শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হলেন ২ দাদা। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার এই ঘটনায় জামাইয়ের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

[দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ভাঙন, ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী ছাত্রী]

Advertisement

চোপড়ার মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা নাজমা খাতুন। ২০ বছরের এই যুবতীর সঙ্গে মহম্মদ ফারুক নামে এক যুবকের সম্প্রতি বিয়ে ঠিক হয়েছিল। চোপড়ার দক্ষিণ হাজারিবাড়ি এলাকায় বাড়ি ফারুকের। আগে সে সিভিক পুলিশে কাজ করলেও কয়েক দিন আগে ফারুক স্থানীয় পঞ্চায়েতে চাকরি পায়। বিয়ে ঠিক হওয়ার পর দুই বাড়ির মধ্যে যাতায়াত শুরু হয়। নাজমা মাঝেমেধ্যে হবু শ্বশুরবাড়িতে যেত। গত বৃহস্পতিবার নাজমাকে নিয়ে গিয়েছিল ফারুক। নাজমার পরিবারের দাবি শনিবার থেকে মেয়ের আর কোনও খোঁজ পায়নি। মেয়ের সন্ধানে রবিবার সকালে চোপড়ায় থানায় মিসিং ডায়েরি করে নাজমার পরিবার। ওই দিন বিকেলে ওই যুবতীর বাবা এবং আত্মীয়রা হবু শ্বশুরবাড়িতে খোঁজ করতে যায়। এই নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল বাধে। অভিযোগ বিনা প্ররোচনায় নাজমার বাপেরবাড়ির লোকজনের উপর চড়াও হয় ফারুক। হবু শ্বশুরবাড়ির লোকেদের মারধরের পাশাপাশি সে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে। গুলিবিদ্ধ হন নাজমরা দাদা মহম্মদ চালুনি ও মোস্তাফা। নসিফ নামে নাজমার আরও এক আত্মীয় মার খান। উত্তেজনার খবর পেয়ে চোপড়া থানার পুলিশ যায়। এই নিয়ে জেলার পুলিশ সুপার শ্যাম সিংহ জানান, উত্তেজনা থাকায় একজনকে আটক করা হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান গুলি চলার ঘটনা মেনে নিয়েছেন। তিনি জানান দুজন গুলিবিদ্ধ হন।

Advertisement

CHOPRA FIRING.jpg 2

[ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইরাক-ইরান, মৃত অন্তত ১৩০]

আহত দুজনকে চোপড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। মোস্তাফার এবং মহম্মদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফারুকের পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত জামাই ঘটনার পর থেকে পলাতক। এত কাণ্ডের পরও মেয়ে নাজমার খোঁজ পায়নি তার পরিবার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.