Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Germany Malaria

মশার বিদেশ সফর! বিমানে চেপে জার্মানি পাড়ি দিল মশক, কামড়ে মৃত বিমানবন্দরের কর্মী

প্রশাসনের কার্যত পাগল পাগল দশা। জার্মানিতে মশার উপদ্রব একবারে নেই বললেই চলে। তাহলে কী করে মশা ঢুকল বিমানবন্দরের অন্দরে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ২২:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ২২:০২

options
link
মশার বিদেশ সফর! বিমানে চেপে জার্মানি পাড়ি দিল মশক, কামড়ে মৃত বিমানবন্দরের কর্মী zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

দেশে মশা নেই একেবারে। তবু ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একজনের প্রাণ গেল! আরও ৫ জন আক্রান্ত মশাবাহিত রোগে। কিন্তু মশকশূন্য দেশে মশা এল কী করে? এই ভেবে তো মাথা চুল ছিড়ছেন দেশের কর্তাব্যক্তিরা। তারপর বোঝা গেল, মশা এসেছে দূর দেশ থেকে। আর পাঁচটা মানুষের মতোই বিমানে চেপে নতুন দেশে পা রেখেছে সে।

ঘটনাটি ঘটেছে জার্মানিতে। বুধবার খবর মেলে, ফ্র্যাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ ম্যালেরিয়া। শুধু তাই নয়, ওই বিমানবন্দরে কর্মরত অন্তত ৬ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত। তারপর থেকেই ফ্র্যাঙ্কফুর্ট প্রশাসনের কার্যত পাগল পাগল দশা। জার্মানিতে মশার উপদ্রব একবারে নেই বললেই চলে। তাহলে কী করে মশা ঢুকল বিমানবন্দরের অন্দরে? সেদেশের রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য সংস্থার (আরকেআই) তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়, এই মশা বিদেশি।

Advertisement

আরকেআইয়ের তরফে বলা হয়, গত মাসে বিমানবন্দরের চারজন কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখনই বোঝা গিয়েছিল, যেসব দেশে ম্যালেরিয়ার উপদ্রব বেশি, সেরকম কোনও একটি দেশ থেকে জার্মানিতে আসা বিমানে এক বা একাধিক মশা ঢুকে গিয়েছিল। তারাই ম্যালেরিয়া ছড়িয়েছে বিমানবন্দর এলাকায়। কারণ জার্মানিতে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা এতটাই কম যে মানবদেহ থেকে রোগ ছড়িয়ে পড়া কার্যত অসম্ভব। তাই জার্মান কর্তৃপক্ষ ধরেই নিয়েছে, বিদেশ থেকে আসা মশার কামড়েই বিপত্তি।

ইতিহাস বলছে, ফ্র্যাঙ্কফুর্ট শহরে শেষবার ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সন্ধান মিলেছিল ২০২৩ সালে। তারপর তিন বছর কেটে গেলেও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হননি কেউ। এবার একসঙ্গে ৬ জন আক্রান্ত হলেন, এমনকী একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এহেন ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে জার্মানির প্রশাসন। ফ্র্যাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে মশা ধরতে জাল পাতা হয়েছে। সেখানে যেসব পোকামাকড় ধরা পড়েছে তাদের পাঠানো হয়েছে গবেষণাগারে। কোন দেশের পোকা, কী ধরণের রোগ বহন করে-যাবতীয় তথ্য জানতে চলছে গবেষণা। সবমিলিয়ে, মশা রুখতে জার্মান মুলুকে রীতিমতো হইচই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.