Tikiapara

রেলের জমি দখল করে বাস! টিকিয়াপাড়ায় চলল বুলডোজার, গৃহহীন ১২০ পরিবার

এবার টিকিয়াপাড়া স্টেশনের কাছে রেললাইনের ধারে কাঠপোল বস্তিতে বেআইনি দখলদার মুক্ত করতে চালানো হল বুলডোজার! মঙ্গলবার সকালে পূর্ব রেলের তরফে ওই বস্তির বেআইনিভাবে তৈরি ১২০টি ঘরকে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল। প্রায় হাজার খানেক বাসিন্দা ওই বস্তিতে থাকেন।

অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২১:৩৩

options
link
রেলের জমি দখল করে বাস! টিকিয়াপাড়ায় চলল বুলডোজার, গৃহহীন ১২০ পরিবার
টিকিয়াপাড়ায় চলল বুলডোজার। নিজস্ব চিত্র

এবার টিকিয়াপাড়া স্টেশনের কাছে রেললাইনের ধারে কাঠপোল বস্তিতে বেআইনি দখলদার মুক্ত করতে চালানো হল বুলডোজার! মঙ্গলবার সকালে পূর্ব রেলের তরফে ওই বস্তির বেআইনিভাবে তৈরি ১২০টি ঘরকে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল। প্রায় হাজার খানেক বাসিন্দা ওই বস্তিতে থাকেন। বুলডোজার দিয়ে তাঁদের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ায় এদিন তাঁরা গৃহহীন হয়ে পড়েন। ঘর ভাঙার সময় বাসিন্দারা তা প্রতিহত করে রুখে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেও বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মৃদু লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়।

Advertisement

পূর্ব রেলের তরফে রেললাইনের ধারের ওই বেআইনি দখলদারিদের আগেই সরে যাওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়। ১৯ জুন পর্যন্ত সময়ও দেওয়া হয়। সোমবারও রেল ও হাওড়া পুরসভার আধিকারিকরা গিয়ে বাসিন্দাদের দ্রুত ওখান থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ না হওয়ায় অবশেষে মঙ্গলবার বুলডোজার দিয়ে তাদের ঘর ভেঙে দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের সিপিআরও শিবরাম মাজি বলেন, ‘‘যে জমি থেকে বেআইনি দখলদার মুক্ত করা হয় ওই জমি রেলের নয়। জমি রাজ্য সরকারের। রেলের কিছু উন্নয়নমূলক কাজের জন্য রেল ওই জমি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে নিয়েছে। রেলের কিছু উন্নয়নমূলক কাজ হবে। তাই ওখানে বেআইনিভাবে দখলদারদের সরিয়ে দেওয়া হল। সব জায়গায় তো উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। যেখানে রেলের জায়গায় উন্নয়নের প্রয়োজন হচ্ছে সেখানেই বেআইনি দখলদারদের তুলে দেওয়া হচ্ছে।’’

Advertisement

মহম্মদ আখতার নামে বস্তির এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘কোনওরকম পুনর্বাসন ছাড়াই রাতারাতি নোটিস দিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করা হল। মহরম পর্যন্ত একটু সময় চেয়েছিলাম। মহরম শেষ হলে আমরা চলে যেতাম। কিন্তু তার আগেই আমাদের ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল।’’ সিমলি বেগম নামে বস্তির অপর এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘লাল নামে এলাকার এক ব্যক্তি আমাদের থেকে বস্তির ঘরে থাকার জন্য ভাড়া নিচ্ছিল। প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাড়া নিচ্ছিল। এমনকী আমাদের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সব নিয়ে রেখে দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিন আমরা যখন উচ্ছেদ না করার দাবি নিয়ে ওঁনার কাছে গেলাম। তখন আমাদের পুলিশ দিয়ে বার করে দিল।’’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.