চরম দুঃসময় বামেদের! অর্থাভাবে দলীয় কার্যালয় ভাড়া দেওয়া হল প্রোমোটারকে

সিপিএমের পার্টি অফিস এখন কোচিং সেন্টার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৮, ২০:৪৯

options
link
চরম দুঃসময় বামেদের! অর্থাভাবে দলীয় কার্যালয় ভাড়া দেওয়া হল প্রোমোটারকে

ধীমান রায়, বর্ধমান: দলের দুঃসময় চলছে। পার্টি অফিসেও তেমন ভিড় নেই। কর্মীশূন্য দলীয় কার্যালয়কে এবার লিজে দিল সিপিএম। প্রোমোটারকে দেওয়া হয়েছে লিজ। দলের তরফে জানানো হয়েছে পার্টি অফিসের ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার সিপিএমের লোকাল কার্যালয় কমরেড রবীন সেন ভবনের।

Advertisement

[স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় বিষ খাইয়ে স্ত্রীকে খুন]

ইতিমধ্যেই প্রোমোটার স্বপন পালের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে কার্যালয়ের চাবি। হাতে চাবি পেয়েই কাজে নেমে পড়েছেন তিনি। বুধবার কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্বপন পাল লোক দিয়ে কার্যালয়ের ঘরগুলি পরিষ্কার করাচ্ছেন। মুছে ফেলা হয়েছে কার্যালয়ের নাম লেখা সাইনবোর্ড। স্বপনবাবু, নিজের মুখেই জানান, আমি এক সময় সিপিএম করেছি। এখন কোনও দল করি না, ব্যবসা করি। সিপিএমের কাছে পাঁচ বছরের লিজে কার্যালয়টি নিয়েছি। চুক্তিও হয়ে গিয়েছে। এখানে কোচিং সেন্টার করব।IMG20180207113915

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে পাঁচ বছরের চুক্তির কথা অস্বীকার করেছেন সিপিএমের গুসকরা পূর্ব এরিয়া কমিটির সম্পাদক নারায়ণ ঘোষ। তিনি বলেন, এক বছরের জন্য লিজে দেওয়ার চুক্তি হয়েছে। গুসকরা শহরে আমাদের আরও একটি অফিস রয়েছে। রেকারিং খরচ বেড়ে যাওয়ায় দু’টি অফিস চালানোতে সমস্যা হচ্ছে। তাই আমাদেরই এক প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামীকে লিজ দেওয়া হয়েছে। তিনি একটি কোচিং সেন্টার চালাবেন। দলে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দলের সাংগঠনিক ক্ষেত্রে কিছু রদবদল হয়েছে। আগে ব্লক বা থানা স্তরে ছিল জোনাল কমিটি। তার নিচে লোকাল কমিটি। তারপর শাখা কমিটি। বর্তমানে জেলা কমিটির নিচে রয়েছে এরিয়া কমিটি। লোকাল কমিটির যদিও অস্তিত্ব নেই। গুসকরা শহরে সিপিএমের আরও একটি কার্যালয় রয়েছে। যেটি আগে গুসকরা জোনাল কমিটির অফিস ছিল। সেখান থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে এই কার্যালয়। এলাকাটি সাত নম্বর ওয়ার্ডে পড়ছে। সিপিএমের প্রয়াত নেতা মহবুব জাহেদি একসময় দলের কার্যালয় করতে দেড় কাঠা জায়গা দান করেছিলেন। সেই জমির উপরেই তৈরি হয়েছিল এই কার্যালয়। ১৯৯৯ সালের ২০ জানুয়ারি ভবনের শিলান্যাস করেছিলেন খোদ মহবুব জাহেদি। ওই বছর ১ মে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করেছিলেন বিনয় কৃষ্ণ চৌধুরি। তিনতলা কার্যালয়ের এক তলা ও দোতলায় দুটি করে ঘর, হলঘর, রান্নাঘর ও পৃথক শৌচাগার  রয়েছে। তিনতলায় রয়েছে আরও একটি ঘর।

[ধূমপানের জন্য মায়ের বকুনি, বাড়ি থেকে পালিয়ে আত্মঘাতী কিশোর]

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.