জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: সরকারি হাসপাতাল নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। দীর্ঘদিন ধরে সেভাবেই চলছে হাসপাতালগুলি। এবার প্রকাশ্যে এল অন্য ছবি। সরকারি হাসপাতাল চত্বরেই চলছে মাদকের চাষ! প্রয়োজন মতো তুলেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিক্রির উদ্দেশ্যে। এই ছবি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ হাসপাতালের। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভের মুখে হাসপাতাল সুপার।
[আরও পড়ুন: ‘তৃণমূল করলে মুন্ডু কেটে ফুটবল খেলব’! হুমকি পোস্টারে চাঞ্চল্য বিরাটিতে]
জানা গিয়েছে, প্রায় এক বছর ধরেই বনগাঁ জেলা হাসপাতালের এমার্জেন্সির সামনে রয়েছে সারি দেওয়া গাছ। সকলের চোখের সামনেই বেড়ে উঠেছে গাছ। কিন্তু চোখে পড়লেও অনেকেরই বোধগম্য হয়নি সেগুলি কী। অনেকে বুঝতে পেরেও ভয়ে মুখ খোলেননি। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রমরমিয়ে গাঁজার কারবার করেছে এক দল দুষ্কৃতী। বুধবার সকালে প্রকাশ্যে আসে ঘটনাটি। জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় বিজেপি নেতা শোভন বৈদ্য, সৈকত মিত্র-সহ অন্যান্যরা। তাঁদের অভিযোগ, “হাসপাতালে সকলের চোখের সামনে দীর্ঘদিন ধরে এসব হয়েছে। সুপার সব কিছু জেনেও চুপ করেছিলেন।”
[আরও পড়ুন: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় ‘শাস্তি’! অকেজো করে দেওয়া হল টিউবওয়েল]
প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ব্যবসার উদ্দেশ্যেই ওই এলাকায় গাঁজার চাষ করে দুষ্কতীরা। সেখান থেকে বাইরেও গাঁজা পাচার করা হত বলে অনুমান। অবিলম্বে গাছগুলি নষ্ট করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে বুধবার হাসপাতালে সহকারী সুপারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা। এমনকী ২৪ ঘণ্টা সময়সীমাও বেঁধে দেন তাঁরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ না হলে তাঁরাই গাছগুলি নষ্ট করে দেবেন বলেও জানান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতাল চত্বর পরিদর্শন করেছেন সহকারী সুপার সপ্তর্ষি চৌধুরি। কার্যত গোটা ঘটনার কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন তিনি। সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে বরাবরই একাধিক অভিযোগ রোগীদের। কিন্তু হাসপাতালের ভিতরে এহেন ঘটনায় হতবাক স্থানীয়রা।
সর্বশেষ খবর
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট
-
তারাপীঠের পর এবার রামপুরহাটের হোটেলে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি, ঘটনাস্থলে দমকল
-
মাত্র তিনদিনেই শেষ কাজ! এসআইআরের মতোই জনগণনাতেও নজির সাঁইথিয়ার শিক্ষকের
-
রাতের আকাশে বেগুনির খেলা! স্পেস স্টেশন থেকে নবরূপ দেখালেন নভোশ্চর
-
হকি বিশ্বকাপে ডাচেদের বিরুদ্ধে হার, শেষ চারে ওঠার স্বপ্ন প্রায় শেষ ভারতের