Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Narendra Modi

আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অটুট বন্ধুত্বের বার্তা মোদির

বলে রাখা প্রয়োজন, গত মাসেই মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও ট্রাম্প। ফ্রান্সে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের মাঝে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ০০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ০০:৩৩

options
link
আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অটুট বন্ধুত্বের বার্তা মোদির zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আমেরিকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশ্বের কল্যাণে দুই দেশের সম্পর্ককে এক অন্যতম শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ভারত ও আমেরিকার এই সম্পর্ক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে।

শনিবার এক্স মাধ্যমে এই শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। যেখানে তিনি লিখেছেন, “১৪০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষ থেকে আমি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আমেরিকার জনগণকে স্বাধীনতার ২৫০তম বর্ষপূর্তিতে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” তাঁর এই পোস্টে দুই দেশের সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে। উঠে এসেছে, সম্পর্কের ভিত্তির কথা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতে, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক নিছক স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ নয়। গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং দুই দেশের নাগরিকদের যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তার উপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক।

Advertisement

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী মোদি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ২৫০ বছর আমেরিকার জন্য আরও বেশি সমৃদ্ধি, শান্তি ও অগ্রগতি নিয়ে আসবে। একই সঙ্গে ভারত-মার্কিন অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে বলেও মত প্রধানমন্ত্রীর। বলে রাখা প্রয়োজন, গত মাসেই মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও ট্রাম্প। ফ্রান্সে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের মাঝে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর এটাই ছিল দুই নেতার প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। বৈঠকে আলোচনা খুব ভালো হয়েছে বলেও পরে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয়, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা যে অব্যাহত থাকবে, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের মধ্যস্থতা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি নিয়ে বিপুল চর্চা হয়। মার্কিন অভিবাসন নীতি নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। মার্কিন সামরিক অভিযানে তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর মতো ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। এই আবহে দুই নেতার এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বলে মনে করা হয়। সেই বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেছিলেন, “ভারত ও আমেরিকার মধ্যে দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আর অন্য কোনও দেশের এত কাছাকাছি থাকতে পারি না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.