শুভময় মণ্ডল, বারাকপুর: পার্টি অফিস নিয়ে ঝামেলার জেরে ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাটপাড়া। স্থানীয় বিধাক পবন সিংকে লক্ষ্য করে চলে বোমাবাজি। যদিও তিনি আহত হননি। নিরাপদেই ওই জায়গা থেকে সরে গিয়েছেন। এই ঘটনায় অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দুপুরের পর। ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিংয়ের দাবি, বিজেপি কার্যালয়ের দেওয়ালে কেউ বা কারা ঘাসফুলের ছবি আঁকছিল। অর্থাৎ পার্টি অফিসটির দখল নিতে চাইছিল তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা, এমনটাই দাবি বিধায়কের। তিনি খবর পেয়ে সেখানে যেতেই পবন সিংকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি চলে বলে অভিযোগ। যদিও তিনি সেখান থেকে সরে যাওয়ায় বোমা তাঁর গায়ে লাগেনি। স্থানীয় সূত্রে খবর, মোট দুটি বোমা ছোঁড়া হয়, যার মধ্যে একটি নিষ্ক্রিয় ছিল। গোটা বিষয়টি নিয়ে ভাটপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পবন সিং। পুলিশ তদন্তে নেমেছে।
[আরও পড়ুন: স্কুলে যৌন নির্যাতনের শিকার তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া, আটক অভিযুক্ত শিক্ষক]
এ নিয়ে তৃণমূলের পালটা দাবি, ওই পার্টি অফিসটি প্রথম থেকে তাদেরই ছিল। লোকসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে অর্জুন সিং জয়ী হওয়ার পর তা দখল হয়ে যায়। এদিন সেই কার্যালয় পুনরুদ্ধারে গিয়েছিলেন দলের কর্মী, সমর্থকরা। কিন্তু কোনও বোমাবাজি করা হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে দু’টি বোমা পাওয়ায় তৃণমূলের এই দাবির সত্যতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
লোকসভা ভোটে ভাটপাড়ায় একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা অর্জুন সিং দলবদল করে বিজেপিতে যোগদানের পর সাংসদ হয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর ছেড়ে আসা ভাটপাড়া বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধায়ক পদে বসেছেন অর্জুন-পুত্র পবন সিং। তারপর থেকেই এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি দ্বন্দ্ব বেড়েছে। নব্য বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল সমর্থকদের সংঘর্ষে প্রায়শয়ই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাটপাড়া। শুক্রবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
[আরও পড়ুন: হায়দরাবাদ দেখল, বাংলা কবে দেখবে? প্রশ্ন কামদুনির প্রতিবাদী মৌসুমীর]
সর্বশেষ খবর
-
‘পাতাল থেকে খুঁজে আনব’, বাগনানে দলীয় কর্মী খুনে কড়া শুভেন্দু
-
‘অন্ধজনে দেহো আলো…’, দৃষ্টিহীন ছেলেকে রোনাল্ডোর গোল ‘দেখালেন’ বাবা
-
ধর্মতলাতেই ‘শহিদ দিবস’ করতে চায় কালীঘাট তৃণমূল, চিঠি গেল কলকাতা পুলিশে
-
২০২১-এ শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা! বারবনির ‘ত্রাস’ তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি পুলিশের, জুতো জনতার
-
জেনেভায় বিশ্বের বৃহত্তম পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারের সামনে নটরাজ শিব, ধর্ম নয়, নেপথ্যে বিজ্ঞান!