CLW এর বিশ্বরেকর্ড

এক বছরে ৪৪৬টি রেলইঞ্জিন তৈরি করে ‘বিশ্বরেকর্ড’ চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভের

কারখানার কর্মী-আধিকারিকদের শুভেচ্ছা জানালেন রেলমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ২১:২৭

options
link
এক বছরে ৪৪৬টি রেলইঞ্জিন তৈরি করে ‘বিশ্বরেকর্ড’ চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভের

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চিত্তরঞ্জন রেলইঞ্জিন কারখানা(CLW)। ২০১৯ সালের ডিসেম্বপ মাস পর্যন্ত ৪৪৬টি বৈদ্যুতিক রেল ইঞ্জিন তৈরি করেছে তারা। কারখানার কর্তৃপক্ষের দাবি, বিশ্বের অন্য কোথাও এত কম সময়ে এই সংখ্যক ইঞ্জিন তৈরি হয়নি। এই বিপুল সাফল্যে রেলমন্ত্রী দিল্লি থেকে চিত্তরঞ্জনের কর্মী ও আধিকারিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলে জানান আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি জানান, “আমার সংসদীয় এলাকায় চিত্তরঞ্জনের মতো এমন একটা কারখানা আছে যা রেকর্ড গড়েছে। সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। জেনারেল ম্যানেজারকে আলাদা করে চিঠি পাঠাব।”

Advertisement

এ প্রসঙ্গে চিত্তরঞ্জন রেল কারখানার জনসংযোগ আধিকারিক মনতার সিং জানান, CLW-তে ২০১৪ সালে ২৪২টি ইঞ্জিন তৈরি হয়েছিল। ২০১৫-তে ২৭৩টি, ২০১৬ সালে ২৭০টি, ২০১৭ সালে ৩২৫টি, ২০১৮ সালে ৩৮৭টি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে ৪৪৬টি বৈদ্যুতিক রেল ইঞ্জিন তৈরি করল CLW । যা চিত্তরঞ্জনের সর্বকালীন রেকর্ড।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : নির্দেশিকা উড়িয়ে বারাকপুর পুরসভার রক্তদান শিবিরে পিঁয়াজ উপহার, বিতর্ক তুঙ্গে]

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের নামাঙ্কিত এই কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছিল ১৯৫০ সালের ২৬ শে জানুয়ারি বাষ্পীয় রেলইঞ্জিন তৈরির মধ্যে দিয়ে। এরপর এখানে ডিজেল সান্টার ইঞ্জিন এবং তারপর বৈদ্যুতিক রেল ইঞ্জিন উৎপাদন শুরু হয়। এই কারখানায় ২৩৫১টি বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও ৮৪২টি ডিজেল রেল ইঞ্জিন তৈরি করা হয়েছিল। এই কারখানায় তৈরি হওয়া বৈদ্যুতিক রেল ইঞ্জিন রাজধানী, শতাব্দী এক্সপ্রেস, কালকা মেল, দুরন্ত এক্সপ্রেসের মত দ্রুতগতিসম্পন্ন ট্রেনের কামরা টেনে নিয়ে যায়। শুরুর দিকে ৩৯০০ অশ্বশক্তিসম্পন্ন বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন তৈরি হত। পরে এখানে ৫০০০ অশ্বশক্তি ও ৬০০০ অশ্বশক্তির বৈদ্যুতিক রেল ইঞ্জিন তৈরি  শুরু হয়। পণ্য পরিবহণের জন্য ৯০০০ অশ্বশক্তিসম্পন্ন রেল ইঞ্জিন তৈরিও করা সম্ভব হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : পাঁকে ডুবল পদ্ম, আস্থা ভোটে বিজেপির হাত থেকে ভাটপাড়া পুরসভা পুনরুদ্ধার তৃণমূলের]

ইঞ্জিন তৈরিতে বিশ্বরেকর্ড সিএলডবলুর জিএম প্রবীণকুমার মিশ্র কারখানার সমস্ত স্তরের কর্মচারী এবং আধিকারিকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই কারখানার ইনটাক সম্পাদক তথা স্টাফ কাউন্সিলের সদস্য নেপাল চক্রবর্তী বলেন, “কর্মীদের কারিগরি দক্ষতা আজ কারখানাকে বিশ্বমানের তৈরি করেছে। উৎপাদন খরচ গতবারের তুলনায় ৭.৫ শতাংশ কম হয়েছে।” একই সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, “এরপরেও CLW-এর বেসরকারিকরণের কী মেনে নেওয়া যায়? তাই কারখানার উৎপাদনের পাশাপাশি আমাদের লড়াই আন্দোলন চলতে থাকবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন