সৌরভ মাজি, বর্ধমান: ২০১৪ সালে পরীক্ষা দিয়েও মেলেনি চাকরি। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে নিজেদের দুর্ভোগের কথা জানাতে চেয়েছিলেন তাঁরা। তাই প্ল্যাকার্ড হাতে তিন চাকরিপ্রার্থী পৌঁছে গিয়েছিলেন বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চের সামনে। সভা শেষে তিন চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে একান্তে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (WB CM Mamata Banerjee)। আশ্বাসও দিলেন তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়েও।
২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (TET) পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২০ হাজার চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বর্ধমানের তিন জন। দুর্গাপুরের স্বাতী ভট্টাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায়, আসানসোলের সোমা কর এবং জো গ্রামের সুমনা কুমারী দত্ত। পরীক্ষা দিয়েও মেলেনি চাকরি। দীর্ঘদিন চাকরিপ্রার্থীদের ধরনা মঞ্চে ছিলেন তাঁরা। আদালতের নির্দেশে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত চলছে।
[আরও পড়ুন: ‘৪ বছর নয়, অগ্নিবীররা ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরি করবেন’, অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে ফের সরব মমতা]
সোমবার বর্ধমানের নবাবহাটের গোদার মাঠে কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁকে নিজেদের দুর্দশার কথা জানাতে হাজির হয়েছিলেন তিন চাকরিপ্রার্থী। মঞ্চের সামনেই দর্শকাসনে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরা। তাতে লেখা, ‘দিদি কিছু বলতে চাই’, ‘দিদি কথা বলুন’, ‘দিদি কিছু বলতে চাইছি’।
কিন্তু পুলিশ তিনজনকে সরিয়ে দেয়। জানান, তাঁদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীকে পৌঁছে দেওয়া হবে। কথা রেখেছিলেন তাঁরা। সভা শেষ হতেই তিনজনকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলেন। সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন তিন চাকরিপ্রার্থী।

[আরও পড়ুন: ভাগ্য বদলে দিল দিঘার তেলিয়া ভোলা! বিশাল মাছ বিক্রি হল ১৩ লক্ষ টাকায়]
উল্লেখ্য, চাকরির দাবিতে কলকাতার রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছেও বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন তাঁরা। চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আশ্বাসও দিয়েছেন। এবার তিন চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে কথা বললেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।
সর্বশেষ খবর
-
ডিএমকের সঙ্গ ছাড়ল আরও এক জোটসঙ্গী, ‘নিঃসঙ্গ’ স্ট্যালিন কি এবার বিজেপির সঙ্গী?
-
যুদ্ধের রক্তচক্ষু-রাজনীতিতে বারবার প্রভাবিত বিশ্বকাপ! তবু জিতে গিয়েছে ফুটবল
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য