Congress leader Biswaranjan Sarkar

প্রয়াত কং নেতা বিশ্বরঞ্জনের বাড়ির মালিকানা নিয়ে জটিলতা, জবরদখল করলেন ভাইপো-ভাগ্নেই?

২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি প্রদেশ কংগ্রেস নেতা বিশ্বরঞ্জনের মৃত্যু হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫, ১৩:১৯

options
link
প্রয়াত কং নেতা বিশ্বরঞ্জনের বাড়ির মালিকানা নিয়ে জটিলতা, জবরদখল করলেন ভাইপো-ভাগ্নেই?
এই দোতলা কাঠের বাড়ির মালিকানা নিয়ে জটিলতা। নিজস্ব চিত্র।

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: প্রয়াত আলিপুরদুয়ার জেলা কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বরঞ্জন সরকারের বসত বাড়ির মালিকানা নিয়ে জটিলতা! সন্তানহীন বিশ্বরঞ্জনের বাড়িটি মালিকানা কে পাবেন তা নিয়ে তাঁর পরিবার ও স্ত্রীয়ের পরিবারের মধ্যে দড়িটানাটানি শুরু হয়েছে।  বিশ্বরঞ্জনের পর বাড়িতে কার্যত একাই থাকতেন তাঁর স্ত্রী রুবি সরকার। সম্প্রতি তাঁরও মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি প্রদেশ কংগ্রেস নেতা বিশ্বরঞ্জনের মৃত্যু হয়। নিঃসন্তান বিশ্বরঞ্জনবাবুর আলিপুরদুয়ার সূর্যনগরের কাঠের দোতলা বাড়িতে থাকছিলেন তাঁর স্ত্রী রুবি। এই বাড়িটি রুবিদেবীর নামেই কেনা হয়েছিল। চলতি বছর বিশ্বরঞ্জন সরকারের প্রয়াণের দিন ১০ জানুয়ারি অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁর স্ত্রী। ১৪ জানুয়ারি শিলিগুড়িতে রুবিদেবীর মৃত্যু হয়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তারপরই ফেব্রুয়ারি মাসে মহাত্মা গান্ধী ও নেতাজির বড় ছবি লাগানো সেই কাঠের বাড়িতে উঠে আসেন বিশ্বরঞ্জন সরকারের ভাগ্নে ও ভাইপোর পরিবার। তাঁরা তালা ভেঙে বাড়িতে ঢোকেন বলে অভিযোগ। বাড়ির অধিকার দাবি করেছে তাঁরা। অন্যদিকে রুবি সরকারের ভাইয়েরাও এই বাড়ির মালিকানার দাবি করে আলিপুরদুয়ার থানায় লিখিত জমা দিয়েছেন। ফলে নিঃসন্তান কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতার সাধের কাঠের দোতলা বাড়ির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব তুঙ্গে উঠেছে।

Advertisement

প্রতিবেশী বিশ্বরঞ্জনের আজীবনের সাথী পরিমল দে বলেন, “আমাদের খুব খারাপ লাগছে।  আমরা চাই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হোক। এই বাড়িটি বিশ্বরঞ্জন সরকারের স্ত্রী রুবি সরকারের নামে রয়েছে। এই বাড়ি নিয়ে যেন কোনও অশান্তি না হয়।” আরেক প্রতিবেশী সুরজিৎ রায় বলেন, “রাজ্যজুড়ে বিশ্বরঞ্জনের সম্মান রয়েছে। সেই সম্মান যেন কোনও ভাবেই ভূলুণ্ঠিত না হয়। বিভিন্ন শরিকদের এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে।”

জানা গিয়েছে, এই বাড়িতে বর্তমানে ভেতর দিক থেকে তালা বন্ধ করে বিশ্বরঞ্জনের ভাগ্নে বাপ্পা দত্ত ও ভাইপো সঞ্জীব সরকার রয়েছেন। এই বিষয়ে তাঁদের ফোন করা হলে বাপ্পা জানান, তিনি সংবাদমাধ্যমে কোনও কথা বলতে চাইছেন না। সঞ্জীব বলেন, “আদালত যা বলবে তাই মানা হবে।” রুবি সরকারের ভাই পার্থপ্রতিম গুহ বলেন, “এই বাড়ি আমার দিদি কিনেছিলেন। আইনত এই বাড়ির মালিকানার অধিকারি আমরা। আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তবে এই বাড়ি যাতে মানুষের কাজে লাগে সেই কারণে আমি দিদি-জামাইবাবুর নামে  সর্বসাধারণের জন্য কিছু করতে চাই।”

আলিপুরদুয়ার থানার আই সি অনির্বান ভট্টাচার্য বলেন, “এই বিষয়ে আদালত যা বলবে সেটাই চূড়ান্ত।” আলিপুরদুয়ার জেলা কংগ্রেসের বর্তমান সভাপতি শান্তনু দেবনাথ বলেন, “আমরা চাই বিশু কাকুর এই বাড়ি মানুষের প্রয়োজনে কাজে লাগুক। এই বাড়ি নিয়ে যা হচ্ছে তা আমাদের ভাল লাগছে না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন