সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: ফিরিয়েছিল কলকাতার হাসপাতাল। ব্যয়বহুল ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিনামূল্যে করে নজির কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালের। চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেলেন রানাঘাটের বাসিন্দা। চিকিৎসকরা আশাবাদী দ্রুতই রোগী আগের মতো কাজকর্ম করতে পারবেন।
বছর পঁয়তাল্লিশ সঞ্জয় সেন। পেশায় কাঠমিস্ত্রি। রানাঘাটের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। কয়েকদিন আগে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত হন তিনি। ভেঙে যায় মুখের চোয়াল-সহ সংলগ্ন কয়েকটি হাড়। প্রাথমিকভাবে তাঁর চিকিৎসা হয় কল্যাণীর জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তবে চিকিৎসকরা জানান, চোয়ালে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। চিকিৎবিজ্ঞানের ভাষায় ম্যাক্সিলোফেসিলারি সার্জারি করতে হত। কিন্তু এই সার্জারি ব্যয়বহুলল। দরকার নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ-সহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রয়োজন। দরকার পরিকাঠামো। কিন্তু জেএনএম হাসপাতালে এক ছাতার তলা তা পাওয়া মুশকিল ছিল। তা জানিয়ে দেওয়া হয় সঞ্জয়ের পরিবারকে।

এরপর তাঁরা যোগাযোগ করে ডা: আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু এই হাসপাতালেও সুরাহা মেলিনি। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড আপডেট করাতে না পেরে আটকে যায় চিকিৎসা। অসহায় অবস্থায় বাড়িতে কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন সঞ্জয়। সেই কথা জানতে পারেন রানাঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান কুশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরপিতা ও স্থানীয় চিকিৎসক ও সমাজসেবী অতীন্দ্রনাথ মণ্ডলের সহযোগিতায় ফের কল্যাণী জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সঞ্জয়কে।
সেখানেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কুশল চট্টোপাধ্যায় (ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জেন) ও সৌমিত্র কুমার (নাক- কান -গলা বিশেষজ্ঞ ) যৌথ তত্ত্বাবধানে সফলভাবে অপারেশন করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মত সঞ্জয় দ্রুত উনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। ফিরতে পারবেন স্বাভাবিক জীবনে। স্বাভাবিকভাবেই খুশি সঞ্জয়ের পরিবারের সদস্যরা। ধন্যবাদ জানিয়েছেন চিকিৎসকদের।
সর্বশেষ খবর
-
ভরতকে সরিয়ে ক্যাপ্টেন সোহিনী! ‘ভিখিরি’ কটাক্ষ রাজবীর-নন্দিনীর, ‘বিগ বস’ দূর্গে হুলুস্থুল
-
ঘরের দরজা খোলা, মেঝেয় পড়ে দম্পতির রক্তাক্ত দেহ! খুন নাকি অন্য কিছু?
-
ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে ঘুমন্ত স্ত্রী ও ৩ কন্যাকে খুন! ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড জয়পুরে
-
মেট্রো স্টেশনে চলবে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, রবিতে ব্লু লাইনে আংশিক বন্ধ পরিষেবা
-
‘উড়ন্ত দুর্গে’ চেপে দিল্লি, রাস্তায় বাহন ‘সেনাত’! কেন অভেদ্য পুতিন-যান? রয়েছে কী কী