নন্দন দত্ত, সিউড়ি: প্রেমিক যুগলের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বীরভূমের দুবরাজপুরের বক্রেশ্বরে। শনিবার সকালে এলাকার জ্যোতিরমাঠ এলাকায় তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হল। মৃতদের নাম সুপ্রিয়া বাগদি ও গোপাল বাগদি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, সুপ্রিয়া স্থানীয় একটি স্কুলের এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিলেন। মৃত গোপাল বাগদি পরিযায়ী শ্রমিক। একই এলাকায় দুজনের বাড়ি। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাই নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কোনও আপত্তিও ছিল না বলে জানা গিয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুপ্রিয়া ও গোপাল। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা রাতে দুজনের খোঁজও করেছিলেন।
আজ সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে বক্রেশ্বর নদীর ধারে জ্যোতিরমাঠের জঙ্গলে তাঁদের মৃতদেহ দেখা যায়। একটি গাছের ডালে দুজনের গলায় ফাঁস লাগানো মৃতদেহ দেখে শোরগোল পড়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দুবরাজপুর থানা ও বক্রেশ্বর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ। যুগলের মৃতদেহ গাছ থেকে নামানো হয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, তাঁরা ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। তবে এই কঠিন সিদ্ধান্তের কারণ কি? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
মৃত যুবকের বাবা আনন্দ বাগদি জানান, দুজনের সম্পর্কের কথা দুই পরিবারের কাজে জানা ছিল। সম্পর্ক নিয়ে কোনও অমতও ছিল না। দুজনের মধ্যে কোনও সমস্যাও দেখা যায়নি বলে দাবি দুই পরিবারের দাবি। গোটা বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
বাবার মৃত্যুতে শোক নয়, সম্পত্তি হাতানোই মোক্ষ! মৃতদেহ থেকেই আঙুলের ছাপ নিল ত্যাজ্য ছেলে
-
‘ব্রাজিলকে বাদ দিয়ে এএফসির জন্য ইস্টবেঙ্গলকে টাকা দিক ফেডারেশন’, বিস্ফোরক বাইচুং
-
বোমা মেরে ওড়ানো হবে দিল্লি হাই কোর্ট! স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে হুমকি ই-মেলে চাঞ্চল্য
-
সাভারকরকে ‘ব্রিটিশদের সাহায্যকারী’ বলেও ছাড়! রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টের
-
কী হয়েছিল শ্মশানে? নির্মলের গ্রেপ্তারির পরই খড়দহ থানায় গোপন জবানবন্দি অভয়ার বাবার