Nandigram

নন্দীগ্রামে গা ঢাকা দিয়েও হল না শেষরক্ষা, দিল্লি এসটিএফের জালে কুখ্যাত ‘অপরাধী’ ওয়াসিম

ওয়াসিমের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ১২৫টিরও বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৬:৩৯

options
link
নন্দীগ্রামে গা ঢাকা দিয়েও হল না শেষরক্ষা, দিল্লি এসটিএফের জালে কুখ্যাত ‘অপরাধী’ ওয়াসিম
পুলিশের জালে দিল্লির কুখ্যাত অপরাধী।

দিল্লিতে খুন করে নন্দীগ্রামে গা ঢাকা দিয়েও শেষ রক্ষা হল না। অবশেষে দিল্লি এসটিএফের জালে অভিযুক্ত। ধৃত ব্যক্তির নাম ওয়াসিম লম্বু। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার নন্দীগ্রাম থানার সহযোগিতায় কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের এসটিএফ। ধৃতের বিরুদ্ধে শুধু খুনের অভিযোগ নয়, ১২৫টিরও বেশি মামলা দিল্লি পুলিশের রেকর্ডে আছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে কার সহযোগিতায় নন্দীগ্রামে (Nandigram) ওয়াসিম লম্বু গা ঢাকা দিয়েছিল তা জানতে আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্ষণ, চুরি, পুলিশের উপর হামলা-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ফলে ওয়াসিমের গ্রেপ্তারি দিল্লি পুলিশের কাছে বড়সড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিহারের দ্বারভাঙ্গার বাসিন্দা ওয়াসিম। তবে গত কয়েকমাস ধরে দিল্লির জাহাঙ্গীরপুরী এলাকায় থাকছিলেন তিনি। সেখানেই খুনের পাশাপাশি একের পর এক অপরাধ জগতের সঙ্গে ওয়াসিমের নাম জড়ায়। এরপর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন। সম্প্রতি দিল্লি পুলিশের এসটিএফের আধিকারিকরা জানতে পারেন, নন্দীগ্রামে ওয়াসিম গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। এরপরই নন্দীগ্রাম থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, নন্দীগ্রাম থানার পুলিশের সহযোগিতায় কেন্দ্যামারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চৌরঙ্গী বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওয়াসিমকে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়াসিমের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ১২৫টিরও বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। পুরনো দিল্লি পুলিশি রেকর্ডেও ওয়াসিম আকরাম ওরফে লম্বুর বিরুদ্ধে ১২৫টির বেশি মামলার কথা উল্লেখ রয়েছে। যার মধ্যে খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্ষণ, চুরি, পুলিশের উপর হামলা-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ফলে ওয়াসিমের গ্রেপ্তারি দিল্লি পুলিশের কাছে বড়সড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, বেশ কিছুদিন আগেই বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় জইশ ই মহম্মদের সদস্য হামিম মণ্ডলকে। এরপরই জানা যায়, তাদের টার্গেট ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দিনভর তাঁর গতিবিধির উপর নজরদারি রাখা ছিল হামিমের ‘টাস্ক’। শুধু তাই নয়, জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে একের পর এক তথ্য। এরমধ্যেই নন্দীগ্রামের মতো ‘হাইভোল্টেজ’ এলাকা থেকে দিল্লির কুখ্যাত এক অপরাধীর গ্রেপ্তার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই নন্দীগ্রাম পুলিশ দেখছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, কে বা কার সাহায্যে ওয়াসিম লম্বু সেখানে গা ঢাকা দেন ওয়াসিম, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.