Digha

শংকরপুরের গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ ১৫ মৎস্যজীবী! উৎকণ্ঠায় পরিবার, তল্লাশিতে কোস্ট গার্ড

জেলা মৎস্য অধিকর্তা সুমন সাহা বলেন, ''ট্রলার নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরই ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং উপকূল থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে। সবদিক থেকে তল্লাশি শুরু হয়েছে।''

রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১২:৪১

options
link
শংকরপুরের গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ ১৫ মৎস্যজীবী! উৎকণ্ঠায় পরিবার, তল্লাশিতে কোস্ট গার্ড
ফাইল ছবি।

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে নিখোঁজ ট্রলার। বুধবার গভীররাত পর্যন্ত ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সম্ভব হয়নি বলেই খবর। এরপরেই উপকূলরক্ষীবাহিনীকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। এমনকী উপকূল থানার পুলিশকেও সতর্ক করা হয়েছে। শুরু হয়েছে খোঁজ। তবে সময় যত গড়াচ্ছে, ততই উৎকণ্ঠা বাড়ছে ট্রলার মালিক থেকে শুরু করে নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবারে। যদিও বুধবার রাতেই শংকরপুর মৎস্যবন্দরে যান মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো। ছিলেন পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা। নিখোঁজ পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সমস্তরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।

Advertisement

জেলা মৎস্য অধিকর্তা সুমন সাহা বলেন, ”ট্রলার নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরই ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং উপকূল থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে। সবদিক থেকে তল্লাশি শুরু হয়েছে।”

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ ট্রলারটির নাম ‘মা কালী’। ট্রলারটির মালিক রামনগর থানার দেউলিবাংলা এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ বেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায় ওই ট্রলারটি। নির্দিষ্ট সময়ে ট্রলারটির ফেরার কথা থাকলেও সেটি বন্দরে ফেরত আসেনি। এমনকী ট্রলারে থাকা ১৫ জন মৎস্যজীবী কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলেই খবর। এমনকী অন্যান্য মাধ্যমেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি বলে খবর। এরপরেই বিষয়টি শংকরপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনকে জানানো হয়। বিষয়তি জানানো হয় প্রশাসনিক আধিকারিকদেরও।

Advertisement

Advertisement

শংকরপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশরঞ্জন নায়ক জানিয়েছেন, প্রশাসন, স্থানীয় বিধায়ককে পুরো ঘটনা জানানো হয়েছে। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীকেও জানানো হয়েছে। ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যাতে হস্তক্ষেপ করেন, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে অ্যাসোসিয়েশনের তরফে। এই প্রসঙ্গে জেলা মৎস্য অধিকর্তা সুমন সাহা বলেন, ”ট্রলার নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরই ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং উপকূল থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে। সবদিক থেকে তল্লাশি শুরু হয়েছে।” ওই আধিকারিকের কথায়, সমুদ্রে থাকা অন্যান্য ট্রলারগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই নিখোঁজ থাকা ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া সম্ভব হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.