Nabadwip

রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কার্যালয় থেকে সাইকেলে করে নথি পাচার! হুলস্থূল নবদ্বীপে

ধৃত দীপক মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কাউন্সিলরদের নির্দেশে এই কাজ করতেন তাঁরা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৪:৩৮

options
link
রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কার্যালয় থেকে সাইকেলে করে নথি পাচার! হুলস্থূল নবদ্বীপে
ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৃণমূল কার্যালয়ে।

রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কার্যালয় থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচার! এহেন অভিযোগে হাতেনাতে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিল স্থানীয় মানুষজন। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নবদ্বীপ (Nabadwip) শহর হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ৪ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, দুজনের ব্যাগ থেকে একাধিক সরকারি নথি, রেশন কার্ড, বাড়ির কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ধৃত দু’জনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

ইতিমধ্যে অভিযুক্ত দীপক মণ্ডল এবং মানিক ঘোষকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল নথিও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের দুজনের নাম দীপক মণ্ডল ও মানিক ঘোষ। স্থানীয়দের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই ওই পার্টি অফিসটি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি সেটি খোলা হয়। শুধু তাই নয়, রাতের অন্ধকারে একেবারে কার্যালয় খুলে নথিপত্র সরানো হচ্ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় এক বাসিন্দা চিরঞ্জিত দেবনাথের অভিযোগ, প্রতিদিন সাইকেলে খালি ব্যাগ নিয়ে আসতেন এবং ফেরার সময় ব্যাগভর্তি নথি নিয়ে চলে যেতেন অভিযুক্তরা। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হতেই হাতেনাতে সোমবার রাতে দু’জনকে ধরা হয়। চিরঞ্জিতবাবুর দাবি, ধৃতদের ব্যাগ থেকে রেশন কার্ড, বিভিন্ন সরকারি নথি, বাড়ির কাগজপত্র এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত নথি উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement
উদ্ধার হওয়া নথি নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

ইতিমধ্যে অভিযুক্ত দীপক মণ্ডল এবং মানিক ঘোষকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল নথিও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এদিকে ধৃত দীপক মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুরাধা মুখোপাধ্যায় এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ঝন্টু লাল দাসের নির্দেশেই তাঁরা ওই নথিপত্র সরাচ্ছিলেন। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, ওই তৃণমূল কার্যালয়ে এমন কি নথি রয়েছে? যা রাতের অন্ধকারে সরাতে হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.