বাসের মধ্যে পড়ে খালাসির দেহ। খালাসিকে ডাকতে এসে দেহ দেখতে পান চালক। কী করে মৃত্যু তা ঘিরে ধোঁয়শা। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। সাতসকালে চাঞ্চল্য পুরুলিয়ার মানবাজারে।
আরও পড়ুন:
মৃত যুবকের নাম সন্তু মাহাতো। বাড়ি কুড়ুকতোপা গ্রামে। তিনি মানবাজার থেকে পুরুলিয়াগামী চলা একটি বাসের খালাসি হিসাবে কাজ করতেন। কাজের শেষে বাসটি পরিষ্কার করে, রাতে বাসেই ঘোমাতেন তিনি। প্রতিদিন সকালে চালক অজিত মাঝি ডাকতেন তাঁকে। অন্যান্য দিনের মতো রবিবার সকালে ডাকাডাকি করেন অজিত। কোনও সাড়াশব্দ পাননি। তারপর বাসের দরজা খুলে দেখেন কেবিনের মধ্যে নিথর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন সন্তু। তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় পুলিশ। সন্তুকে মানবাজার হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কীভাবে মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়শা। শারীরিক অসুস্থতা নাকি পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ। তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বাসের চালক অজিত মাঝি বলেন, “রাতে কাজ শেষের পর বাসেই ঘুমাতেন সন্তু। প্রতিদিনের মতো সকালে ওঁকে ডাকতে এসে দেখি ওই অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পুলিশকে ডেকে হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে ওকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কী হল, কিছুই বুঝতে পারছি না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ