দেশের মুখ্য নির্বচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে ফের ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে এককাট্টা বিরোধী শিবির। সূত্রের খবর, সংসদের দু’কক্ষেই নোটিস জারি করা হতে পারে। তার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। নোটিসের সপক্ষে আইনি পরামর্শও নিচ্ছে বিরোধীরা।
সূত্রের দাবি, গত ১০ মাসে জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে একাধিকবার মতপার্থক্য হয়েছে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশী ও সুখবীর সিং সিধুর। অভিযোগ, তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও একাই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। এর ভিত্তিতেই এবার জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে বিরোধী শিবির।
এর আগে জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে লোকসভা এবং রাজ্যসভায় প্রস্তাব আনা হয়েছিল। যদিও বিরোধীদের জারি করা নোটিস খারিজ করে দেওয়া হয়। দেশীয় সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পরেই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা ও কমিশনের অন্দরের টানাপোড়েনের বিষয় নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের দাবি, গত ১০ মাসে জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে একাধিকবার মতপার্থক্য হয়েছে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশী ও সুখবীর সিং সিধুর। অভিযোগ, তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও একাই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। এর ভিত্তিতেই এবার জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে বিরোধী শিবির। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরাতে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হচ্ছে বলে খবর। কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, আইনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাবের একটি খসড়াও তৈরি হচ্ছে। বিরোধী দলগুলি পৃথকভাবে সংসদের দুই কক্ষেই নোটিস জারি করতে পারে।
উল্লেখ্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। সেই পদের বিরোধিতা করে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে গেলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের সম্মতি প্রয়োজন।
জ্ঞানেশের পদত্যাগ, গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল, রাহুল গান্ধীরা। এই মর্মে বৃহস্পতিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। অবিলম্বে এফআইআর দায়ের করে জ্ঞানেশকে তদন্তের আওতায় আনার আবেদন জানান তিনি। সেই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ‘ক্রিমিনাল’ বলে কটাক্ষ করে মহুয়া বলেন, “দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সিধু এবং বিবেক জোশীর সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমার যা করছেন, তা বেআইনি। তাঁদের অগ্রাহ্য করে জ্ঞানেশ কুমার এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” এই প্রসঙ্গে রাজ্যসভার তৃণমূল ডেরেক ও’ব্রায়েন ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই বার্তা দিয়ে একটি বিবৃতিও জারি করেন। উল্লেখ্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। সেই পদের বিরোধিতা করে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে গেলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের সম্মতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বিরোধী শিবির নতুন করে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনলে, তা সংসদে গৃহীত হয় না কি খারিজ হয়ে যায়, সেটাই দেখার।
সর্বশেষ খবর
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে করবে আদানিরা! শুভেন্দু সরকারের উদ্যোগে বঙ্গ পর্যটনে নতুন দিগন্ত
-
দুধের তৈরি না হলে বলা যাবে না ‘পনির’, ভেজালের রমরমা রুখতে কড়া নিয়মের পথে কেন্দ্র
-
পুজোয় বাঙালির পাতে পড়বে না পদ্মার ইলিশ! রুপোলি শস্য রপ্তানিতে মেলেনি ছাড়পত্র
-
SIR-এ বাদ, ট্রাইব্যুনালেও ওঠেনি নাম, হতাশায় চরম সিদ্ধান্ত কালনার যুবকের!
-
নাম জড়ায় ভূপেশ বাঘেল, রণবীর কাপুরদের! গ্রেপ্তার সেই মহাদেব বেটিং অ্যাপের কিংপিং