রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার: জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে নিজের ভাইকে খুনের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। গুলি করে খুন করে থানায় নিজেই ফোন করে অভিযুক্ত। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছনোর আগেই চম্পট দেয় অভিযুক্ত। আলিপুরদুয়ারের অরবিন্দ নগরের শুটআউটের ঘটনা সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। অভিযুক্তকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি। তার খোঁজে চলছে তল্লাশি।
আলিপুরদুয়ারের ভোলারডাবরি গ্রামের বাপি পণ্ডিত এবং উত্তর অরবিন্দ নগরের বিপ্লব বসাক সম্পর্কে ভাই হন। জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনই বিবাদ চলছে তাঁদের। তবে বৃহস্পতিবার রাতে তা গুরুতর আকার নেয়। বাড়ি ফিরছিলেন আইটিআই পড়ুয়া বাপি পণ্ডিত। রাস্তা একেবারেই ফাঁকা ছিল। অভিযোগ, সেই সুযোগে উত্তর অরবিন্দ নগর এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে বাপিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বিপ্লব বসাক। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে যান বাপি। যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন তিনি। তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে যান। বাপিকে উদ্ধার করে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা জানান, বাপি মারা গিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে বানচাল হতে পারে সরস্বতী পুজোর প্ল্যান, জেনে নিন কী বলছে হাওয়া অফিস]
ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার থানায় একটি ফোন আসে। ওই ফোনে জানান হয় অরবিন্দ নগর এলাকায় বাপি পণ্ডিত নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। পুলিশ সুপার জানান, খুনের পর অভিযুক্ত নিজেই ফোন করে থানায়। সে খুন করেছে বলেও জানায় পুলিশকে। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পাকড়াও করা সম্ভব হয়নি। আলিপুরদুয়ার থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে এই খুন বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান। তবে এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে থমথমে গোটা এলাকা। বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
দুই ‘সেরা’ গোলের ম্যাচে বাজিমাত ‘গোলদস্যু’ হালান্ডের, প্রি কোয়ার্টারে ব্রাজিলের সামনে নরওয়ে
-
বাড়িতে পাথর ছুড়ছে দুষ্কৃতী! সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তোপ অভিষেকের
-
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রী মোদির, কী কথা হল, চাপ বাড়বে ট্রাম্পের?
-
নীচু জাত! কলেজের অশিক্ষক কর্মীকে নির্যাতন, ঘরে ঢুকতে বাধা অধ্যক্ষার! বিতর্ক পুরুলিয়ায়
-
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষের সাক্ষাৎ, উপহার আম ও সন্দেশ! কী কথা হল?