মহরমের দিন ভাসানে গণ্ডগোল রুখতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ মমতার

সম্প্রীতির বার্তা দিলেন রাজ্যপালও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭, ০৮:৪৭

options
link
মহরমের দিন ভাসানে গণ্ডগোল রুখতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ মমতার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এবছর মহরমের দিন একাদশী পড়ায় বিসর্জন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা রুজু হয়। বৃহস্পতিবার আদালত জানায়, মহরমের দিনও বিসর্জন হবে। তবে বিসর্জন করা সম্ভব হবে কিনা, সে বিবেচনার ভার রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনেরই। তারপরই আজ মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানেই রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের সবরকম সতর্কতা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও গণ্ডগোল রুখতে কঠোর পদক্ষেপেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিসর্জন মামলায় সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে না রাজ্য  ]

Advertisement

এদিনের বৈঠকে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আদালতের রায় রাজ্যের পক্ষে ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। আদালতও রাজ্যের হাতেই বিসর্জনের ভার ছেড়েছে। এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের রায়ের ব্যাখ্যা দেন। সেখানে স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে, মহরমের দিনও বিসর্জন হবে। তা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা আদৌ সম্ভব হবে কিনা, সে ভার রাজ্যেরই। আদালতের রায়কে মাথায় রেখেই এদিন পুলিশ ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। মহরমের তাজিয়া ও বিসর্জনের শোভাযাত্রার জন্য আলাদা আলাদা রুট থাকবে। পুলিশ ও প্রশাসনের সমন্বয়েই এই ব্যবস্থা করা হবে। রবিবারের মধ্যে থানাগুলি নিজেদের এলাকা পর্যালোচনা করে প্রশাসনের সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করবে। বিসর্জন ও মহরম নিয়ে কোনও বিভ্রান্তি যাতে না ছড়ায় সেদিকে নজর রাখা হবে। নজর থাকবে সোশ্যাল সাইটের পোস্টগুলিতেও। ভাসানে কোনওরকম গণ্ডগোল যাতে না হয় তা নিয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্পর্শকাতর এলাকাগুলির জন্য বাড়তি সতর্কতার ব্যবস্থা করা হবে। এলাকায় থাকতে হবে জনপ্রতিনিধিদেরও। ভাসানের দিন গণ্ডগোল বাধানোর চেষ্টা করা হতে পারেও বলে সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোথাও কোনও ঝামেলা হলে বিসর্জনে অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানা হচ্ছে।

Advertisement

পুজোর মুখে বন্ধ ট্রেন-মেট্রো, চূড়ান্ত দুর্ভোগ যাত্রীদের ]

এদিকে বিসর্জন নিয়ে কাজিয়া থামাতে আসরে নামলেন রাজ্যপাল। বার্তা দিয়ে তিনি জানান, বিসর্জন মামলায় কারও হারজিতের প্রশ্ন নেই। দুই সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে সুষ্ঠুভাবে উৎসবে মেতে উঠতে পারেন তা দেখতে হবে বলেই জানান তিনি।  শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান পালন করাই রাজ্যের পরম্পরা। সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাজ্যপাল জানান শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখার দায়িত্ব আমাদেরই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.