Basirhat

গোষ্ঠী সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে বসিরহাটে গুলিবিদ্ধ পুলিশকর্মী, গুরুতর জখম হয়ে ভরতি হাসপাতালে

কাঁধে গুলি লেগে কলকাতার হাসপাতালে ভরতি কনস্টেবল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২২, ১৫:৪৫

options
link
গোষ্ঠী সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে বসিরহাটে গুলিবিদ্ধ পুলিশকর্মী, গুরুতর জখম হয়ে ভরতি হাসপাতালে
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাতদুপুরে গোষ্ঠী সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে এবার গুলিবিদ্ধ এক পুলিশকর্মী। সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বসিরহাটের (Basirhat) শাঁকচুড়া বাজার এলাকা। কাঁধে গুলি (Shot) লেগেছে তাঁর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুলিশকর্মীকে বসিরহাট থেকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। রাতেই ঘটনাস্থলে যান বসিরহাটের এসপি-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

Advertisement
গুলিবিদ্ধ কনস্টেবল প্রভা সর্দার।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সন্ধেবেলা। শাঁকচুড়া বাজারের কাছে টাকি রোডের কাছে তৃণমূলের (TMC) কার্যালয়ের সামনে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা, সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে ছুটে যায় অনন্তপুর ফাঁড়ির পুলিশ। সামনের সারিতে থেকে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে যান প্রভাত সর্দার নামে ওই পুলিশ কনস্টেবল। তখনই চলে গোলাগুলি। তাতে আহত হন কনস্টেবল প্রভাত। তাঁর কাঁধে গুলি লাগে। প্রথমে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজীব হত্যাকারীদের মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে আদালতে যাচ্ছে কংগ্রেস]

রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান বসিরহাটের পুলিশ সুপার (SP) জেবি থমাস কে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়। এলাকা থমথমে। স্থানীয়দের নিরাপত্তার আশ্বাস দিতে রাতভর সেখানে মোতায়েন ছিল পুলিশবাহিনী। 

Advertisement

 

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের অপর এক নেতা এদিন বাজার থেকে ফিরছিলেন। সেই সময়ে তাঁকে কেউ বন্দুক দেখায়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ঢোকে। তারপর গোলাগুলি চলে। তাতে জখম হন পুলিশ কনস্টেবল। ঘটনাস্থল থেকে একাধিক অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে বলেও বিস্ফোরক দাবি ওই তৃণমূল নেতার। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঠিক বিচার হোক। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে শাঁকচুড়া বাজার মোড়ে পথ অবরোধ করেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। জনতার নিরাপত্তা দেন যাঁরা, তাঁদেরই নিরাপত্তা নেই, এনিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়।  

 

[আরও পড়ুন: তলবি সভায় অনুপস্থিত তৃণমূল, নির্দল কাউন্সিলরদের সমর্থনে ঝালদা পুরসভা দখল করল কংগ্রেস]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.