সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনেদুপুরে মিথ্যে পরিচয় দিয়ে স্কুলে ঢুকে গিয়েছিলেন৷ দিব্যি প্রধানশিক্ষিকার সঙ্গে কথাবার্তাও বলছিলেন৷ এসআই ভেবে যাবতীয় প্রশ্নের উত্তরও দিয়ে চলেছিলেন প্রধানশিক্ষিকা৷ কিন্তু কিছু কিছু কথায় অসঙ্গতি মেলায় সন্দেহ হয় তাঁর৷ আর তাতেই মিলল ফল৷ আপাতত শ্রীঘরই ঠিকানা ছদ্মবেশী এসআইয়ের৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের এই ঘটনায় তাজ্জব খোদ সুকান্ত স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷
[যাদবপুরে আজও অব্যাহত ছাত্র বিক্ষোভ, এখনও ঘেরাও উপাচার্য]
বৃহস্পতিবার স্কুলে সাজো সাজো রব৷ যে কোনও মুহূর্তে স্কুলে এসে পরতে পারেন এসআই৷ ঠিকঠাকই চলছিল সবকিছু৷ স্কুলে এসেও পরলেন এসআই৷ প্রধানশিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন৷ কথাবার্তায় হাজারও অসঙ্গতি মেলে তার৷ তাতেই সন্দেহ হয় স্কুল কর্তৃপক্ষের৷ তড়িঘড়ি এসআই অফিসে ফোন করেন প্রধানশিক্ষিকা৷ ফোনালাপেই স্পষ্ট হয় গোটা ছবি৷ স্কুলে ছদ্মবেশী এসআই এসেছে বলেই জানতে পারেন প্রধানশিক্ষিকা৷
[শহরের স্কুলে ২ বছরের শিশুকে ‘যৌন নির্যাতন’, অভিযোগ অস্বীকার কর্তৃপক্ষের]
খবর দেওয়া হয় সোনারপুর থানায়৷ পুলিশ পৌঁছে ছদ্মবেশী এসআই দীননাথ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে৷ জেরায় দীননাথ জানায়, মগরাহাট থানার উত্তর রাধানগরের বাসিন্দা সে৷ জেরায় প্রথমে জানায় সে এসআই৷ কিছুক্ষণের মধ্যে বয়ান বদল করে দীননাথ৷ নিজেকে পুলিশ বলে পরিচয় দেয়৷ তারপরেও দীননাথকে লাগাতার জেরা করতে থাকে পুলিশ৷ এরপর আবার নিজেকে ক্লার্ক বলেও দাবি করে দীননাথ৷ যদিও বেশ কিছুক্ষণ জেরার পর নিজের ছদ্মবেশের কথা স্বীকার করে নেয় সে৷ তবে কেন মিথ্যে পরিচয়ে ওই স্কুলে এসেছিল দীননাথ? সে বিষয়ে এখনও কিছুই জানতে পারেননি তদন্তকারীরা৷
ছবি: বিশ্বজিৎ নস্কর
সর্বশেষ খবর
-
অভীকদের উত্তরণের নেপথ্যে স্বাস্থ্যদপ্তরের মাথারা, থ্রেট কালচার তদন্তে বিস্ফোরক মোড়
-
রাষ্ট্রসংঘে সন্ত্রাস নিয়ে প্রশ্ন পাক সাংবাদিকের! জয়শংকর বললেন, ‘পাকিস্তানকে জিজ্ঞেস করুন’
-
আর থানার হাতে নয়, যাবতীয় দায়িত্ব নিচ্ছে সিকিউরিটি কন্ট্রোল! পাসপোর্ট যাচাইয়ে বড়সড় বদল
-
মেঘে মেঘে ভাগ ভারত! বর্ষার মরশুমে ইসরোর স্যাটেলাইট ছবিতে তুমুল চাঞ্চল্য
-
দীক্ষার নামে তারাপীঠ নিয়ে গিয়ে যুবতীকে বিয়ে, যৌনতা! কুকীর্তি ফাঁস হতেই গ্রেপ্তার ‘কাপালিক অঘোরী’