Bongaon

বধূকে খুন, মৃতদেহ লুকিয়ে রেখে মাংস-ভাতের ফিস্টি! ১২ বছর পর যাবজ্জীবন শ্বশুর-শাশুড়ি-ননদের

বিচার পেয়ে স্বস্তি ওই তরুণীর বাপেরবাড়ির সদস্যদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ২১:১৫

options
link
বধূকে খুন, মৃতদেহ লুকিয়ে রেখে মাংস-ভাতের ফিস্টি! ১২ বছর পর যাবজ্জীবন শ্বশুর-শাশুড়ি-ননদের
প্রতীকী ছবি

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: বধূকে শ্বাসরোধ করে খুন। মৃতদেহ লুকিয়ে রেখে মাংস-ভাতের ফিস্টি! ১২ বছর পর ওই ঘটনায় সাজা ঘোষণা হল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদের। বিচারকালীন স্বামীর মানসিক ভারসাম্য হওয়ায় তার সাজা আপাতত স্থগিত রাখা হয়। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর। মৃত ওই গৃহবধূর নাম নুপুর দত্ত। বিচার পেয়ে স্বস্তি ওই তরুণীর বাপেরবাড়ির সদস্যদের।

Advertisement

গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগে তাঁর শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল বনগাঁ মহকুম আদালত৷ ২০১৩ সালে বনগাঁ থানার মোস্তাফী পাড়ায় নুপুর দত্তকে শ্বাসরোধ করে খুন করে খাটেরতলায় রেখে মাংস ভাত খেয়েছিল স্বামী, শশুর, শাশুড়ি ও ননদ। এমনই অভিযোগের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল সমগ্র এলাকাজুড়ে৷ মৃত বধূর শিশুর কান্না শুনে প্রতিবেশীরা বাড়ি ঢুকে জানতে পারে ওই ঘটনা। খবর দেওয়া হয় বনগাঁ থানায়। পুলিশ ওই বধূর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। গ্রেপ্তার করা হয় ওই চারজনকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মামলা শুরু হয় বনগাঁ আদালতে। কেটে যায় ১২ বছর। অবশেষে শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল বনগাঁ আদালত। তবে বিচারকালীন স্বামীর মানসিক ভারসাম্য হওয়ায় তার সাজা আপাতত স্থগিত রাখা হয়। বাদিপক্ষের আইনজীবী সৈকত দাস বলেন, “স্বামী মৃন্ময়চন্দ্র দত্ত, শ্বশুর মলয়চন্দ্র দত্ত, শাশুড়ি মধুমিতা দত্ত, ননদ মৌমিতা দত্ত সরকার। বনগাঁ মহকুমা আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বিচারক কল্লোল দাস। মোট ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন এই মামলায়৷”

Advertisement

২০০৫ সালে বারাসতের বিজয়নগরের বাসিন্দা নুপুর দত্ত বণিকের সঙ্গে বনগাঁর বস্ত্র ব্যবসায়ী মৃন্ময়চন্দ্র দত্তের বিয়ে হয়েছিল। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হত গৃহবধূর উপরে। তাঁদের একটি সন্তানও হয়। ২০১৩ সালে নুপুরকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়। মৃতদেহ খাটের তলায় রেখে দেয় অভিযুক্তরা। দীর্ঘ ১২ বছর আইনি লড়াইয়ের পর ন্যায়বিচার পেলেন বাপেরবাড়ির সদস্যরা। আইনজীবী সৈকত দাস বলেন, “মূল অভিযুক্ত মানসিক ভারসাম্য দেখিয়ে এখনও সাজা পায়নি। তাকেও সাজা দেওয়ার আবেদন জানাব।” মৃতার ভাই শিবম বণিক বলেন, “সাজা ঘোষণায় খুশি। কিন্তু আদালতে ফাঁসির আবেদন করা হয়েছিল৷”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.