রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার: ফের সীমান্তে এসএসবির জালে ধরা পড়ল চোরা পাচারকারী। এবার আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা এলাকা থেকে হাতির দাঁত-সহ ধৃত ২ পাচারকারী। পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া দাঁতগুলি ভুটান পেরিয়ে তিব্বতে চালান করা হত।
[তিনদিন গলায় আটকে মাংসের হাড়, মহিলাকে বাঁচাল সিউড়ির হাসপাতাল]
জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন এসএসবি ৫৩ ব্যাটেলিয়নের জওয়ান ও হ্যামিলটনগঞ্জ রেঞ্জের আধিকারিকেরা। গোপন সূত্রে তাঁরা খবর পান যে ওই এলাকা দিয়ে একটি গাড়িতে করে হাতির দাঁত পাচার করা হবে৷ রাতে হাসিমারায় একটি গাড়ি দেখে আধিকারিকদের সন্দেহ হয়। প্রথমে গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের কথায় অসংগতি মেলায় গাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে চারটি হাতির দাঁত। এরপরই হাতির দাঁত পাচারের অভিযোগে গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন আধিকারিকরা। ধৃতরা হল বাবু ফাংচো ও চন্দ্র ইংতি। জানা গিয়েছে, তারা অসমের কার্বিআংলং জেলার বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তাদের কাছ থেকে হাতির দাঁত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া হাতির দাঁতের আনুমানিক বাজারদর কয়েক কোটি টাকা। পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজ পেতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ।
[আদালতের রায়ে ভিটেহারা, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই অশীতিপর বৃদ্ধার]
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, মূলত তিব্বতে পাচারের জন্য অসম থেকে এই রাজ্যে আনা হয়েছিল হাতির দাঁতগুলি। এরপর ভারত-ভুটান সীমান্ত পেরিয়ে তিব্বতে পাচার করা হত সেগুলিকে। পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-ভুটান সীমান্তকে বন্যজন্তুর দেহাংশ পাচারের জন্য ব্যবহার করে চোরা পাচারকারীরা। চোরাপাচার রুখতে বরাবরই ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশের তরফে জোর দেওয়া হয়েছিল৷ তবে এত কড়াকড়ি সত্ত্বেও রোখা যাচ্ছে না বন্যপ্রাণীর দেহাংশ পাচার। প্রায়ই সীমান্ত থেকে বন্যপ্রাণীর দেহাংশ-সহ পুলিশের জালে ধরা পড়ছেন চোরা পাচারকারীরা।
সর্বশেষ খবর
-
‘অবিবাহিত’ প্রেমিকের বাড়িতে স্ত্রী-মেয়ে-জামাই! চক্ষু চড়কগাছ প্রেমিকার, প্রতিবাদ করায় ‘খুনের চেষ্টা’
-
ক্রিকেট কেরিয়ারের দুঃসময় ভুলে বিয়ের পিড়িতে রিঙ্কু, চূড়ান্ত দিনক্ষণ
-
আপাতত ফাঁকাই থাকবে বিধানসভার দ্বিতীয় শীর্ষ পদ! অথৈ জলে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন
-
আইএফএ শিল্ডের সম্ভাব্য সূচি ঘোষিত, কবে কথায় নামছে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল?
-
ইচ্ছামতো দাম নয়! পাইকারী বাজারে চিনির মূল্য বেধে দিল রাজ্য, মিলবে সুফল বাংলাতেও