দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: প্রকাশ্যে মদ্যপান করে অশালিন আচরণের প্রতিবাদ করায় গৃহস্থের খড়ের গাদা জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির তারকেশ্বর থানার রামনগর শাসমল পাড়ায়। আক্রান্ত গৃহস্থের নাম মদনমোহন মালিক। অভিযোগ, মদ্যপ যুবকের দলটি রাতে মদনমোহনবাবুর বাড়িতে হামলা চালায়। তাঁর বাড়ির গ্রিলও ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ।চাষবাসের জন্য বাড়িতেই জৈবসার তৈরির ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গৃহপালিত পশুদের আস্তানাতেও লাগে আগুন। এদিকে রাতে আগুনের আঁচ পেয়ে পাড়া প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। খবর দেওয়া হয় দমকলে। তারকেশ্বর থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিবেশীরা বালতি বালতি জল ঢেলে সহযোগিতা করে। এই ঘটনায় দোষীদের এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে তদন্ত শুরু হয়েছে।
[দেওয়াল দখল করেও কাস্তে হাতুড়ির ছাপ পড়ল না বড়জোড়ার অধিকাংশ গ্রামে]
জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত মদনমোহন মালিকের বাড়ি লাগোয়া ফাঁকা জায়গায় বসে মদ্যপান করছিল পাড়ার বেশ কয়েকজন যুবক। তাদের মধ্যে একজনের নাম শুভঙ্কর মালিক। অভিযোগ, অশালীন আচরণও করছিল মদ্যপ যুবকরা। মদনমোহনবাবু প্রতিবাদ করতেই তারা তেড়ে আসে। বলে বোমা মেরে বাড়ি উড়িয়ে দেবে। এরপরই সোমবার গভীর রাতে তাঁর খড়ের গাদা-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেয় মদ্যপ যুবকের দল। একই সঙ্গে বাড়ির গ্রিলও ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মদনমোহন মালিক। এদিকে গতবছরই কৃষিকাজে সাফল্যের জন্য কৃষিরত্ন পেয়েছেন মদনমোহন মালিক। মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকেই সম্মাননা গ্রহণও করেন তিনি। এলাকায় ভাল মানুষ হিসেবে পরিচিত এমন এক ব্যক্তির বাড়িতে আক্রমণের ঘটনায় এলাকায় লোকজন ক্ষুব্ধ।

অন্যদিকে মদ্যপানের বিরোধিতা করে রবিবারই আক্রমণের মুখে পড়েন আরামবাগের এক ঠিকাকর্মী। লোহার রেঞ্জ দিয়ে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। আক্রান্তের নাম অরুণ মালিক। তিনি আরামবাগ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মাথায় আটটা সেলাই পড়েছে। জানা গিয়েছে, আরামবাগের বাকানল গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর গ্রামেই ঘটেছে ঘটনা। বেশ কিছুদিন ধরে নারায়ণপুর মুণ্ডেশ্বরী খালের উপরে একটি সেতু তৈরি হচ্ছে। সেই নির্মীয়মান সেতুর মালপত্র পাহারার দায়িত্বে ছিলেন অরুণবাবু। তাঁর সঙ্গে আরও জনা পাঁচ ছয় কর্মী ছিলেন। রাত দেড়টা নাগাদ দেখেন সেতুর একপাশে বসে তিন যুবক মদ্যপান করছে। তিনি তাদের সেখান থেক চলে যেতে বলেন। অভিযোগ, তিন মদ্যপ তখনই অরুণবাবুর উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বেধড়ক মারধরের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা লোহার রেঞ্জ দিয়ে তাঁর মাথায় সজোরে আঘাত করা হয়। আঘাত পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই চিৎকার করে ওঠেন অরুণবাবু। সহকর্মী ছুটে আসতেই চম্পট দেয় তিন অভিযুক্ত।
[দিনেদুপুরে আদালত চত্বর থেকে ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টা, আটক ২]
সর্বশেষ খবর
-
দুষ্টু মেসেজে আলাপ, ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই ছাত্রের সঙ্গে উদ্দাম যৌনতা, ব্রেকআপের পর এ কী হল শিক্ষিকার!
-
রাত্রিবাস করেছিলেন মহানায়ক, ‘উত্তম’ স্মৃতি আগলে আজও নতু গ্রামের জমিদার বাড়ি
-
পুরভোটে স্ট্র্যাটেজি বদল সিপিএমের! জোট নিয়ে নিচুতলার কর্মীদের ‘স্বাধীনতা’ দিল আলিমুদ্দিন
-
নদী না ডাস্টবিন! তীরে আবর্জনার পাহাড়, একা হাতে পরিষ্কার তরুণের, ছবি দেখে কুর্নিশ নেটপাড়ার
-
বন্যাকে থোড়াই কেয়ার, গির্জার ভিতর কোমর জলেই বিয়ে বর-কনের! ভাইরাল ভিডিও