সায়ন্তন বসু

‘মঙ্গলগ্রহ থেকে এলেও হিন্দুরা থাকবেন’, NRC প্রসঙ্গে মন্তব্য সায়ন্তনের

এনআরসি নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম-সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে আলাদা নীতি কেন? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১৬:২৯

options
link
‘মঙ্গলগ্রহ থেকে এলেও হিন্দুরা থাকবেন’, NRC প্রসঙ্গে মন্তব্য সায়ন্তনের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এনআরসি নিয়ে এবার সরব হলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। আলিপুরদুয়ারে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে জানালেন, শুধু বাংলাদেশ কেন, সুদূর মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা হিন্দুদেরও নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এনআরসি নিয়ে বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতার বিচিত্র মন্তব্যের মধ্যে স্বভাবতই দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। অসমে এনআরসি চূড়ান্ত তালিকা থেকে ১৯ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ হিন্দুর নাম রয়েছে। যে কারণে অসমে অস্বস্তিতে বিজেপি সরকার। সঙ্গত কারণে, এ রাজ্যেও এনআরসি চালুর দাবি বিজেপি তুললেও নানা স্তরে সংশয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। হিন্দু ভোটব্যাংকের কথা মাথায় রেখে সংশয় দূর করতে মাঠে নেমেছেন রাজ্য বিজেপির নেতা-কর্মীরা। সেই প্রসঙ্গেই সায়ন্তনের এহেন মন্তব্য।

Advertisement

সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলি যেমন, মালদহ, দুই দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ার মানুষদের মধ্যে এনআরসি নিয়ে সংশয় বেশি। একইসঙ্গে অসমে বাদ পড়া মানুষদরে মধ্যে গোর্খা, রাজবংশীরাও রয়েছে। যে কারণে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলাতেও মানুষজনের মধ্যে এনআরসি নিয়ে একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সেই আতঙ্ক দূর করতেই সায়ন্তন বসু বলেন, হিন্দুদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। মূলত, জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করতে আলিপুরদুয়ারে আসেন সায়ন্তন। তখনই সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হতেই পারে। কিন্তু একজন হিন্দুর নামও তার থেকে বাদ যাবে না। সেই হিন্দুরা বাংলাদেশ থেকে আসুন, আফগানিস্তান থেকে কিংবা মঙ্গলগ্রহ থেকে আসুন।’ এরপরেই তিনি জানান, ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আমরা রাজ্যসভায় পাশ করাবই, তৃণমূল যতই বাধা দিক।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু এনআরসি নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম-সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে আলাদা নীতি কেন? সে প্রসঙ্গে সায়ন্তন বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের দলের মধ্যে কোনও দ্বিচারিতা নেই। কারণ, দেশ ভাগ হয়েছিল ধর্মের ভিত্তিতে।’

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন