Hooghly

আদালতের গুঁতো! এসআইআরের মাঝেই শুরু ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড ম্যাপিং

প্রত্যেক উপভোক্তার ছবি এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৬:০২

options
link
আদালতের গুঁতো! এসআইআরের মাঝেই শুরু ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড ম্যাপিং
নিজস্ব ছবি

সুমন করাতি, হুগলি: একদিকে চলছে এসআইআর-এর কাজ। এবার তাঁর মধ্যেই শুরু হল ১০০ দিনের জব কার্ডের ম্যাপিং। জানা গিয়েছে, সিঙ্গুর ব্লকে শুরু হয়েছে এই কাজ। আধার কার্ডের সঙ্গে জব কার্ড যোগ করার কাজ চলছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, এসআইআর-এর কাজের পাশাপাশি হুগলির সিঙ্গুর ব্লকে শুরু হয়েছে নতুন কাজ। সিঙ্গুরে শুরু হয়েছে ১০০ দিনের কাজের জবকার্ড হোল্ডারদের ম্যাপিং-এর কাজ। এই ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ এলাকায় আধারকার্ডের সঙ্গে জবকার্ডের সংযুক্তিকরনের কাজ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, প্রত্যেক উপভোক্তার ছবি তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হচ্ছে।

Advertisement

সিঙ্গুর ব্লকের ১৬টি গ্রামপঞ্চায়েতে মোট ৭৮ হাজার পাঁচশো একানব্বই জন জবকার্ড হোল্ডার রয়েছেন। গত ২০২২ সাল থেকে এরাজ্যে বন্ধ ছিল ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ। বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। তাই আবার নতুন করে এই ম্যাপিং-এর কাজ শুরু হতেই নতুন করে উপভোক্তাদের মনে উৎসাহ বেড়েছে। আবার কাজের আশায় বুক বেঁধেছে উপভোক্তারা। তাঁদের দাবি, এই ১০০ দিনের কাজের টাকায় সংসারে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। নতুন করে এই উদ্যোগ নেওয়ায় রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে উপভোক্তারা।

Advertisement

আধারের পোর্টাল থেকে এনএমএমএস হয়ে জবকার্ড সংযুক্ত করার ফলে, আগামিদিনে উপভোক্তাদের পরিচয় নিয়ে কোনও সমস্যা তৈরি হবে না। এছাড়াও, ভবিষ্যতে বায়োমেট্রিক এটেন্ডেন্স চালু হলে কাজের জায়গায় উপভোক্তাদের উপস্থিতির খবর জাবা অত্যন্ত দ্রুত। ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে পাওয়া যাবে উপস্থিতির তালিকা। পাশাপাশি কোনও জবকার্ড হোল্ডারের মৃত্যু হলে বা অনুপস্থিত থাকলে এই ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে জানা যাবে প্রকৃত উপভোক্তাদের সঠিক সংখ্যা।

এমাসের শুরুতে বাংলায় দ্রুত একশো দিনের কাজ শুরুর নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। কড়া নির্দেশ দেয় হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যে বন্ধ থাকা ১০০ দিনের প্রকল্প চালু করতে জুন মাসে কেন্দ্রকে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্টে। কোনও কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনন্তকালের জন্য ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া যায় না, বলে মন্তব্য করেন কলকাতা হাই কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। এই রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্র। শীর্ষ আদালতে মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে। শুনানি শেষে ১০০ দিনের টাকা দেওয়া নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কে বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সংক্রান্ত মামালার শুনানি হয় কলকাতা হাই কোর্টে। সেই শুনানিতে কেন্দ্রকে কড়া নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। কেন্দ্রও জানিয়ে দেয় কাজ শুরু করতে আপত্তি নেই তাঁদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.