সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একেবারে নিখুঁত অপারেশন। এক গৃহস্থের বাড়িতে হানা দিয়ে সোনার অলঙ্কার হাতিয়ে নিয়েছিল দুষ্কৃতী। তারপর তার কী মনে হল। আবার সব গয়না ফেরতও দিয়ে গেল। হারানো ধন ফিরে পেয়ে আনন্দ আর যায় না বধূর। মঙ্গলবার এমন আজব ঘটনার সাক্ষী হলেন হুগলির চন্দননগরের বাসিন্দারা।
[ফিল্মি কায়দায় বাইক তাড়া করে ‘শাহরুখ’কে ধরল পুলিশ]
গত রবিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন চন্দননগরের মাধবপুরের বাসিন্দা পূর্ণিমা ঘোষ। এমন সময় তাঁর ফাঁকা বাড়িতে ঢোকে চোর। নিশ্চিন্তে সে হাত সাফাই করে। ঘর থেকে বেশ কিছু দামি অলঙ্কার সে হাতিয়ে নেয়। ফিরে পূর্ণিমাদেবী দেখেন ঘরের সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও গয়নার বাক্স থেকে বেশ কিছু অলঙ্কার উধাও। যে বাক্সে বালা, চুড়ি ছিল। এই ঘটনা বুঝতে পেরে আকাশ ভেঙে পড়ে ওই মহিলার। ওই দিন ভদ্রেশ্বর থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করলেও কিনারা করতে পারেনি। এই অবস্থায় গয়নার আশা ক্রমশ ছাড়ছিলেন ওই বধূ। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তিনি চমকে যান। পূর্ণিমাদেবী দরজা খুলে দেখেন বাড়ির সামনে একটি কাগজ মোড়ানো অবস্থায় রয়েছে। আগ্রহ নিয়ে কাগজ খুলতেই তাঁর শরীরে যেন প্রাণ আসে। যে গয়নাগুলি চুরি হয়েছিল তার পুরোটাই মোড়া ছিল ওই কাগজে। আহ্লাদে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির লোক ও প্রতিবেশীদের সুখবরটি জানান মহিলা।
[ভাইঝির সঙ্গে প্রেম, পালাতে বাধা দেওয়ায় পিসিকে খুন]
এই ঘটনায় অবাক তদন্তকারীরাও। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে যে কাজটি করেছিল সে ওই মহিলার অত্যন্ত পরিচিত। তদন্তে তার নাম বেরিয়ে আসতে পারে বলে অভিযুক্ত বোধহয় আঁচ পেয়েছিল। তাই সম্মান রাখতে এবং ধরা পড়ার ভয়ে চোর আগেভাগে সাফাই করা গয়না ফিরিয়ে দিল মনে করছেন তদন্তকারীরা। তবে চোরের এই ‘বোধোদয়’ নিয়ে এখন জোর আলোচনা চন্দননগরের মাধবপুরে।
সর্বশেষ খবর
-
সাগরের নোনা জলে সাহেব-সুস্মিতার রোম্যান্স! প্রেমচর্চা উসকে ছুটির মুডে ‘কথা’ জুটি
-
প্রীতিকে পেয়েও সুধাকে ভোলেননি ‘মুসাফির ক্যাফে’র চন্দর, বাস্তবে বিক্রান্তের দাম্পত্য সুখের চাবিকাঠি কী?
-
সমস্যা জানাতে হয়রানি নয়! সরকারি দপ্তরেই ‘জনতার দরবার’, দিনক্ষণ জানাল নবান্ন
-
নেপালে নিখোঁজ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ কর্মী, প্রলয়ে তৈরি নয়া হ্রদে বিপদের শঙ্কা, মৃত ৭৬৮
-
এক কাপ চায়েই প্রাণরক্ষা! ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিপর্যস্ত নেপাল থেকে ফিরলেন বর্ধমানের পর্যটক