Nalhati

গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, ফের নলহাটিতে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক-জিলেটিন স্টিক! নাশকতার ছক?

তিনদিন আগে এনআইএর অভিযানে বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছিল বীরভূমের নলহাটিতে। ফের উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, জিলেটিন স্টিক। নলহাটি থানার পুলিশ মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালায় লখনামারা পাথর শিল্পাঞ্চল এলাকায়।

বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৪:০৪

options
link
গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, ফের নলহাটিতে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক-জিলেটিন স্টিক! নাশকতার ছক?
উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক-জিলেটিন স্টিক! নিজস্ব চিত্র

তিনদিন আগে এনআইএর অভিযানে বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছিল বীরভূমের নলহাটিতে (Nalhati)। ফের উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, জিলেটিন স্টিক। নলহাটি থানার পুলিশ মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালায় লখনামারা পাথর শিল্পাঞ্চল এলাকায়। সেখানেই একটি বাড়ি থেকে ওই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হল। কিন্তু কী কারণে এত বিস্ফোরক মজুত ছিল? কোনও বড় চক্র কি কাজ করছে এর পিছনে? বেআইনি পাথরখাদানে ব্যবহার নাকি নাশকরাত ছক চলছে? সেই আশঙ্কা ঘুরছে বিভিন্ন মহলে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর এই অভিযান চলে। নলহাটি থানার পুলিশের একটি বিশেষ দল লখনামারা পাথর শিল্পাঞ্চলের ওই পরিত্যক্ত টালির বাড়িতে হানা দেয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে অভিযান। বাড়ির ভিতরে লুকনো ওই বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মোট ৮০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, ১২,৪০০টি জিলেটিন স্টিক উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও ১০৫টি ডেটোনেটর এবং ৩৬টি ডেটোনেটিং ফিউজের কয়েল। এছাড়াও বিস্ফোরক ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

Advertisement

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বম্ব স্কোয়াড। পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য আঁটসাঁট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক পরীক্ষা করে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে বাড়ি থেকে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে সেটি সম্প্রতি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। তবে কারা ওই বাড়ি ব্যবহার করছিল? কী উদ্দেশ্যে এত বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সেখানে মজুত করা হয়েছিল? কোনও সংঘবদ্ধ চক্রের যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরকের উৎস, সরবরাহের নেটওয়ার্ক এবং সম্ভাব্য ব্যবহার সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স ফর ক্রাইম’ নীতি অনুসরণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Advertisement

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.