Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ring Road

কলকাতা-সহ ৫ জেলায় রিং রোড, সমীক্ষার দায়িত্ব রাইটস্-এর হাতে

কলকাতাকে ঘিরে দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি জেলা মিলিয়ে মেগা প্রকল্পের সমীক্ষার কাজ পুজোর পর শুরু করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা 'রাইটস'।

কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৪:৩৮

link
কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৪:৩৮

options
link
কলকাতা-সহ ৫ জেলায় রিং রোড, সমীক্ষার দায়িত্ব রাইটস্-এর হাতে zoom
Advertisement

বাংলায় শিল্পবান্ধব পরিকাঠামো ও জনজীবনের গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিল্লি, বেঙ্গালুরুর মতো এবার কলকাতাকে লেনের আউটার ‘রিং-রোড’ (Ring Road) নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্য সরকার। কলকাতা-সহ পাঁচ জেলা নিয়ে প্রস্তাবিত রিং-রোড সম্পূর্ণ করতে দ্বিতীয় হুগলির সেতুর পাশে একটি নতুন ব্রিজ বা গঙ্গার নিচ দিয়ে বড় টানেল পথ নির্মাণে প্রকল্পের একটা বড় অংশ খরচ হবে। পাশাপাশি গঙ্গার পূর্বপাড় ধরে সমান্তরাল রুটে দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে দক্ষিণেশ্বরের কাছে নিবেদিতা সেতু পর্যন্ত চার লেনের ‘ডেডিকেটেড-করিডর’ হবে। নগরজীবনের পাশাপাশি শিল্পবান্ধব পরিকাঠামো গড়তে কলকাতাকে ঘিরে দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি জেলা মিলিয়ে মেগা প্রকল্পের সমীক্ষার কাজ পুজোর পর শুরু করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘রাইটস’। ডবল ইঞ্জিন সরকার দায়িত্ব নিতেই রাজ্যের বহু উদ্দেশ্যসাধক এই পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প রিং-রোড দ্রুত বাস্তবায়নে জোরকদমে কাজ শুরু করেছেন পুর ও নগর-উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, “কলকাতাকে ঘিরে আধুনিক ‘রিং-রোড’ তৈরির লক্ষ্যে ট্রাফিক ও অর্থনৈতিক সমীক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘রাইটস’কে বলা হয়েছে।

পুরমন্ত্রীর মন্তব্যে স্পষ্ট, চার বা ছয় লেনের রিং-রোড সম্পূর্ণ হলে নদিয়া ও উত্তর বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাড়িগুলি কলকাতার যানজট ‘বাইপাস’ করে স্বল্পসময়ে হাওড়া হয়ে বিহার বা ওড়িশা দিয়ে দেশের অন্যত্র চলে যেতে পারবে। গঙ্গাপাড়ের পোর্টের জমি ও পাঁচ জেলার বর্তমান চওড়া সড়ক জুড়েই প্রস্তাবিত রিং-রোডের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে কেএমডিএ-পূর্ত দফতর।

বৃত্তাকার রাস্তার এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে শুধু যানবাহনের গতি নয়, পণ্য পরিবহণেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে পূর্বভারতের অন্য রাজ্যগুলিকে বাড়তি সুবিধা দেবে।” উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে এই রুটের পাশেই ডানকুনি ও ধুলাগড়ে দুটি নতুন শিল্প-কারখানার সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তৎপর পুরমন্ত্রীর মন্তব্যে স্পষ্ট, চার বা ছয় লেনের রিং-রোড সম্পূর্ণ হলে নদিয়া ও উত্তর বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাড়িগুলি কলকাতার যানজট ‘বাইপাস’ করে স্বল্পসময়ে হাওড়া হয়ে বিহার বা ওড়িশা দিয়ে দেশের অন্যত্র চলে যেতে পারবে। গঙ্গাপাড়ের পোর্টের জমি ও পাঁচ জেলার বর্তমান চওড়া সড়ক জুড়েই প্রস্তাবিত রিং-রোডের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে কেএমডিএ-পূর্ত দফতর। গঙ্গাতীরের দখলদারদের উচ্ছেদ করতে হলেও এই প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন খুবই কম বলে দাবি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রিং রোডের রুট
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ, মহেশতলা, ডায়মন্ডহারবার রোড, আমতলা, বারুইপুর, সোনারপুর, বাসন্তী হাইওয়ে হয়ে উত্তর ২৪ পরগনার টাকি রোড, বসিরহাট, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে, বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে, নিবেদিতা সেতু দিয়ে হুগলির ডানকুনি ও হাওড়ার পাঁচলায় জাতীয় সড়ককে যুক্ত করবে।

বস্তুত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এই রিং-রোডের মাধ্যমে কলকাতাকে ঘিরে পাঁচ জেলা নিয়ে আগামী ১০০ বছরের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ সম্পূর্ণ করতে চাইছে। তাই পুরমন্ত্রীর নির্দেশ পেতেই দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি জেলার বিভিন্ন জাতীয় সড়ককে জুড়ে ও গঙ্গানদীর তীর ধরে কীভাবে রিং-রোড হবে তা নিয়ে পূর্ত, পুর ও নগরোন্নয়ন এবং কেএমডিএ-এর শীর্ষ ইঞ্জিনিয়াররা গত দেড়মাসে তিনটি মেগা-বৈঠক করেছেন। প্রকল্পের প্রাথমিক নকশা ও কলকাতার চারপাশের সংযোগকারী ন্যাশনাল ও স্টেট হাইওয়েগুলি চিহ্নিত করে খসড়া নকশা করেছেন বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা। পুজোর পর রাইটস-এর বিশেষজ্ঞরা স্যাটেলাইট ইমেজ, ড্রোন তথা এআই প্রযুক্তির সাহায্যে প্রস্তাবিত রিং-রোডের উচ্চতা ও ভৌগোলিক অবস্থান চিহ্নিত করে দ্রুত ‘ডিপিআর’ প্রস্তুত করবেন। রিং-রোড নিয়ে আগেও ভাবনা হলেও মূল সমস্যা ছিল প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের। বড়মাপের বাজেটের প্রয়োজন অনুমান করেও ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারে’র পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রার স্পষ্ট দাবি, “প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বাংলায় এসে আশ্বস্ত করেছেন, নাগরিক স্বার্থে অর্থ কোনও সমস্যা হবে না, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের পাশে আছে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.