তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেও জনতার বিক্ষোভ সামলাতে পারছেন না কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। বাড়িতে ফেরামাত্রই ফের তাঁকে ঘিরে প্রতিবাদ শুরু হল দলের কর্মী, সমর্থকদের। রবিবার সাংসদের সিতাইয়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ মিছিল, অদূরে দলের পার্টি অফিসে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হল। এনিয়ে এলাকায় বেশ উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি হয়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সাংসদের নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিক্ষোভকারীদের গুরুতর অভিযোগ, এনসিপিআইতে যোগ দিয়ে বিজেপির সঙ্গী হওয়া সাংসদ ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে প্রভূত সম্পত্তি বানিয়েছেন। এসবই বেআইনি।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, গত ১৫ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। তাঁদের আরও দাবি, রাইস মিল-সহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি, সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও তাঁদের অভিযোগ, একসময় ফরওয়ার্ড ব্লক, পরে তৃণমূল এবং বর্তমানে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। তবে তাঁকে বিজেপিতে যোগ দিতে দেওয়া হবে না বলেও জোরদার দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।
আরও পড়ুন:
রবিবার সকালে সিতাইয়ের বাড়িতে ফিরেছেন সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। এই কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন স্ত্রী সঙ্গীতা রায়। তবে তৃণমূল কংগ্রেসে ডামাডোলের পর থেকে সঙ্গীতা ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রত শিবিরে অলিখিতভাবে যোগ দিয়েছেন। মাস দুয়েক আগে রাতে সঙ্গীতাকে নিয়ে জগদীশ বসুনিয়া এই সিতাইয়ের বাড়িতে ফেরার পরই তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। রাতেই নিজেদের বাড়ি ছেড়ে তাঁদের ফিরে যেতে হয় কোচবিহারের ফ্ল্যাটে। এবার আবার সেখানে ফিরেছেন সাংসদ। কিন্তু বিক্ষোভের ছবিটা বদলায়নি। এদিনও তাঁর বাড়ির সামনে বড়সড় প্রতিবাদ মিছিল করেন দলের কর্মী, সমর্থকরা। সিতাইয়ের তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, গত ১৫ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। তাঁদের আরও দাবি, রাইস মিল-সহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি, সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও কটাক্ষ করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, একসময় ফরওয়ার্ড ব্লক, পরে তৃণমূল এবং বর্তমানে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। তবে তাঁকে বিজেপিতে যোগ দিতে দেওয়া হবে না বলেও জোরদার দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে সাংসদের বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চল্লিশে চালশে নয়, এই সময়ই যৌন আবেদনে আরও ‘গনগনে’ হয়ে ওঠে নারী! দাবি সমীক্ষায়
-
বাড়ির ইট, জানলা-দরজা খুলে নিয়ে অন্যত্র যাচ্ছেন ‘বিপন্ন’ মানুষ, বুক ফাটা কান্না ভূতনিতে!
-
বর্ষায় পায়ের নখের দফারফা? জেনে নিন পুজোর আগে কীভাবে নেবেন যত্ন
-
বিগ বস-এর ঘরে কথায় কথায় উত্তেজনা, ক্ষোভের বিস্ফোরণ, কেন এমন করেন প্রতিযোগীরা?
-
মসজিদের পাশে শোভাযাত্রা! ‘দেখে নেব’ গণেশ পুজোয় ‘হুমকি’ কংগ্রেসশাসিত কর্নাটকের পুলিশের