Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
North Bengal

যুদ্ধ লাগলেও বিচ্ছিন্ন হবে না যোগাযোগ! চিকেনস নেকের সুরক্ষায় উত্তরবঙ্গে বিরাট পদক্ষেপ

উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থার ইতিহাসে যুক্ত হতে চলেছে নতুন মাইলফলক।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৪:০৫

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৪:০৫

options
link
যুদ্ধ লাগলেও বিচ্ছিন্ন হবে না যোগাযোগ! চিকেনস নেকের সুরক্ষায় উত্তরবঙ্গে বিরাট পদক্ষেপ zoom
করোনেশন সেতুর ফাইল ছবি।
Advertisement

প্রস্তাবিত ছয় লেনের দ্বিতীয় সেবক করোনেশন সেতুর অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক জমি অধিগ্রহণের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ০ কিলোমিটার থেকে ৬.৯১ কিলোমিটার পর্যন্ত সেতুর অ্যাপ্রোচ রোড তৈরি হবে। প্রকল্পের জন্য জলপাইগুড়ি জেলার মাল ব্লকের পশ্চিম টোটগাঁও এবং এলেনবাড়ি চা বাগান এলাকার জমি অধিগ্রহণের তালিকাভূক্ত রয়েছে। প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ আমলে ১৯৩৭ থেকে ১৯৪১ সালের মধ্যে নির্মিত ‘করোনেশন সেতু’-র চাপ কমাতে সেভকে তিস্তা নদীর উপর ছয় লেনের নতুন সেতু এবং অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণের জন্য আগস্ট মাসে টেন্ডার ডাকে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রক।

জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ছয় লেনের সেতুর জন্য ৮৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ৫৯১.৩১০ কিলোমিটার পয়েন্টের কাছাকাছি তিস্তা নদীর উপর নতুন সেতুটি গড়ে উঠবে। প্রকল্পটি ‘ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন’ পদ্ধতিতে নির্মাণ হবে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের গেজেট বিজ্ঞপ্তির পর জমি অধিগ্রহণের জন্য জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণের জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রশাসনিক মহলে জমি অধিগ্রহণের তৎপরতা বেড়েছে। পুরো প্রকল্পটি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করছে। জমি অধিগ্রহণ শেষ হলে পুজোর পর নির্মাণকাজ শুরু হবে। তিস্তার উপর সেভকে ছয় লেনের সেতু নির্মাণ উত্তরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে সেবক–সিকিম রুটে চলাচল ও বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। শুধু তাই নয়, ছয় লেনের এই সেতু নির্মাণ হলে চিকেনস নেকের সুরক্ষাও আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধ লাগলে যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা না ভেঙে পড়ে সেজন্য এহেন পদক্ষেপ বলেও মনে করা হচ্ছে। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, এতদিন সেবকে করোনেশন সেতু দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের মধ্যে অন্যতম সংযোগ-সেতু ছিল। এবার উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থার ইতিহাসে যুক্ত হতে চলেছে নতুন মাইলফলক। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ছয় লেনের সেতুর জন্য ৮৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ৫৯১.৩১০ কিলোমিটার পয়েন্টের কাছাকাছি তিস্তা নদীর উপর নতুন সেতুটি গড়ে উঠবে। প্রকল্পটি ‘ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন’ পদ্ধতিতে নির্মাণ হবে। ঐতিহাসিক করোনেশন ব্রিজের বিকল্প হিসেবে তৈরি হতে যাওয়া ওই সেতু ছয় লেনের হবে। সেতু ও সংযোগকারী রাস্তা মিলিয়ে মোট দৈর্ঘ্য হবে ৬.৮৫ কিলোমিটার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.