বিক্রম রায়, কোচবিহার: আষাঢ়ের শেষ লগ্নেও বৃষ্টির দেখা নেই বঙ্গে। উত্তরবঙ্গের (North Bengal) তাপমাত্রার ঊর্ধ্বমুখী পারদ যেন ভরা গ্রীষ্মকেও হার মানাচ্ছে। এই অবস্থায় অসহ্য গরম থেকে রক্ষা পেতে বাড়ির পাশে পুকুরে স্নান করতে গিয়েছিল কোচবিহারের (Cooch Behar) মানাবাড়ি ফকিরের কুঠি এলাকার চার নাবালক। আর সেখানেই ঘনিয়ে এল বিপদ। জলে ডুবে মৃত্যু হল তিনজনের।

স্নান করতে নেমে তিন নাবালকের মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে মাথাভাঙা ১ ব্লকের পচাঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেরি মানাবাড়ির ফকিরের কুঠি এলাকায়। রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ চার বন্ধু গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে গ্রামের পুকুরে স্নান করতে যায়। পুকুরে তিন বন্ধু স্নান করতে নেমে জলে তলিয়ে যায়। অপর বন্ধু এই দৃশ্য দেখতে পেয়ে দৌড়ে গ্রামবাসীদের খবর দেয়। খবর পেয়ে গ্রামবাসীরা এবং আত্মীয় পরিজনরা ছুটে এসে অচৈতন্য অবস্থায় পুকুরের জল থেকে উদ্ধার করে তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।
[আরও পড়ুন: ‘গণতন্ত্র বাঁচাতে আমাকে ভোট দিন’, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে আবেদন যশবন্ত সিনহার]
মৃত্যুর খবর পেয়ে মাথাভাঙা হাসপাতালে ছুটে আসেন মাথাভাঙা (Mathabhanga) থানার আইসি ভাস্কর প্রধান-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক ও গ্রামের মানুষজন। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ফকিরের কুঠি গ্রামের বাসিন্দা বিক্রম দত্ত জানান, তিনজন গরম থেকে রক্ষা পেতে স্নান করতে গিয়েছিল, তিনজনের প্রাণ চলে গেল অকালে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা মাথাভাঙা ১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির নারী শিশু সমাজকল্যাণ ও ত্রাণ কর্মাধ্যক্ষ কল্যাণী রায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কোচবিহার পুলিশ মর্গে পাঠানো হবে। তিন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুতে নিস্তব্ধ গোটা এলাকা।
[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীকে ভগিনী নিবেদিতার সঙ্গে তুলনা, বাগদার TMC বিধায়কের মন্তব্যে বিতর্ক]
সর্বশেষ খবর
-
ঢাকা হত সিসিটিভি, শৌচাগারে লুকনো টাকা! রাম মন্দিরে ‘চুরি’র নীল নকশায় তাজ্জব তদন্তকারীরা
-
‘দ্বিতীয়বার আসতে হলে ভালো হবে না’, মাফিয়ারাজ রুখতে পুলিশকে কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী শঙ্করের
-
মেঘ-বৃষ্টির পাহাড়ে রোমাঞ্চের হাতছানি, টিকিট কাটার আগে এই ভুল করলেই বিপদ!
-
জমি জেহাদ থেকে ধর্মান্তকরণে নতুন আইন, ‘হিন্দু হোমল্যান্ড’ রক্ষায় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
পেটে লাথি মেরে দেব! সিএবি নির্বাচনে তৃণমূল নেতার ‘হুমকি’, এবার ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ আরেক জেলার