প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ছাড়পত্র, এবার ওয়াঘার মতো ফুলবাড়িতেও ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’

ফুলবাড়িতে বিএসএফ ও বিডিআরের যৌথ মহড়া দেখতে পাবেন দুই দেশের মানুষ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০১৮, ০৩:১৮

options
link
প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ছাড়পত্র, এবার ওয়াঘার মতো ফুলবাড়িতেও ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’

তরুণকান্তি দাস:  ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর নয়া ফুল ফুটবে ফুলবাড়িতে। আটারি-ওয়াঘা সীমান্তের ছবি এবার দেখা যাবে বাংলাদেশে সীমান্ত লাগোয়া উত্তরবঙ্গের এই ছোট জনপদটিতেও। যার পোশাকি নাম ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’। ইতিমধ্যে ফুলবাড়িতে ভারত ও বাংলাদেশ সেনার ফ্ল্যাগ রিট্রিটের অনুমতি দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক।

Advertisement

[মাংস খেকো বানর খাঁচাবন্দি, স্বস্তি ফিরল বেলপাহাড়ির ভুলাভেদায়

Advertisement

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসেই শিলিগুড়ি লাগোয়া ফুলবাড়িতে বিএসএফ ও বিডিআরের যৌথ মহড়া দেখতে পাবেন দুই দেশের মানুষ। এখন আটারি-ওয়াঘা সীমান্তের একই কায়দায় ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’ করে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তা হবে এই ধরনের দ্বিতীয় প্রকল্প। ফুলবাড়িতে টিকিট কেটে ভারত ও বাংলাদেশের এই ফ্ল্যাগ রিট্রিট দেখতে হবে সাধারণ দর্শকদের। অনেক বড় জায়গা জুড়ে এই ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’-এর ব্যবস্থা হচ্ছে। ওয়াঘার সীমান্তে থেকে অনেক বেশি দর্শক দুই দেশের সেনার যৌথ মহড়া দেখতে পারবেন ফুলবাড়িতে। ফলে উত্তরবঙ্গে পর্যটনের আকর্ষণও আরও বাড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

[দুর্ধর্ষ দুশমন! খালি হাতে চিতার হামলা রুখে জখম চা-শ্রমিক]

beating the retreat unedited

রাজ্য সরকার বেশ কিছুদিন আগেই উদ্যোগী হয়েছিল ফুলবাড়ি সীমান্তের পরিকাঠামো উন্নয়নে। জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ির উলটোদিকেই বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে এই সীমান্ত দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য-পরিবহণ চালু হয়। একসময়ে ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে নেপাল সঙ্গে্ যোগাযোগ রাখা হত। তাই জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ ব্লকের সীমান্তবর্তী এই এলাকাকেই ফ্ল্যাগ রিট্রিটের জন্য বেছে নিয়েছে রাজ্য সরকার। ওয়াঘার মতো ফুলবাড়িতে ভারত ও বাংলাদেশ সেনার যৌথ কুচকাওয়াচের আয়োজন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, গোটা পরিকল্পনা কথা জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের চিঠি পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকার। প্রকল্পের ছাড়পত্র মিলেছে। এমনকী, ফুলবাড়িতে ফ্ল্যাগ রিট্রিট নিয়ে বিএসএফকেও আলাদা করে চিঠি দিয়েছে প্রতিররক্ষামন্ত্রক। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিন কেন্দ্রের কর্তাদেরও ডাকা হতে পারে। বিএসএফ মনে করছে,  প্রকল্পটি দেশের সীমান্তের মৈত্রীর ইতিহাসে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। ফুলবাড়িতে ফ্ল্যাগ রিট্রিট চালু হলে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সম্পর্কে যেমন ভাল হবে, তেমনি স্থানীয় বাসিন্দারাও উপকৃত হবেন। ফুলবাড়িতে ফ্ল্যাগ রিট্রিট চালুর বিষয়ে আগ্রহী বাংলাদেশও।

[বউভাতের দিন মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার, নজির মালবাজারের নবদম্পতির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.