রাজ্যের ১২টি জেলার মাদ্রাসায় বিশেষ নজরদারি বা ইন্সপেকশনের নির্দেশ দিল রাজ্যের সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর। এর জন্য ১৮ জনের একটি কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ইন্সপেকশনের কাজ। ২১ জুলাইয়ের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট পেশ করতে হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সব জেলার মাদ্রাসাগুলিকে নিয়ে পদক্ষেপ করবে রাজ্য।
আরও পড়ুন:
এই ১২টি জেলা হল, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া, হুগলি, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই ১২ জেলার স্বীকৃত ও অস্বীকৃত উভয় ধরনের অনুদানবিহীন মাদ্রাসাতেই ইন্সপেকশন চলবে। ইন্সপেকশনের কাজ করবেন মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন ও সংখ্যালঘু বিষয়ক দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরা। এই ইন্সপেকশনে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার মান, সুযোগ সুবিধা, মাদ্রাসার ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, সিলেবাস, নিরাপত্তা-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এরপর সব তথ্য দিয়ে রিপোর্ট পেশ করতে হবে। ২১ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
এই নির্দেশিকা সফল করতে প্রতিটি জেলার জেলাশাসকদের সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরজন্য ইন্সপেকটিং অফিসারকে সাহায্য করতে জেলাশাসককে একজন আধিকারিককে নিয়োগ করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও অফিসারদের জন্য গাড়ি-সহ একাধিক প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ