Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Nirmal Ghosh

পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ককে ‘দূরছাই’ করছে ঋতব্রত শিবির! চেনেন আসল নির্মল ঘোষকে?

আগেও শিবির বদলের অভিজ্ঞতা রয়েছে খড়গপুরের নেতা নির্মল ঘোষ। বর্তমান পরিস্থিতিতে কী বলছেন তিনি?

অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৮:১৯

link
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৮:১৯

options
link
পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ককে ‘দূরছাই’ করছে ঋতব্রত শিবির! চেনেন আসল নির্মল ঘোষকে? zoom
(ডানদিকে) খড়গপুরের তৃণমূল নেতা নির্মল ঘোষ, (বাঁদিকে) পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ
Advertisement

স্রেফ নামবিভ্রাট। আমন্ত্রিত ছিলেন এক নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh)। গিয়ে পৌঁছেছেন আরেকজন। তিনি আবার শুধু অনাহূতই নন, একেবারেই ব্রাত্য! শনিবার তপসিয়ায় ‘আসল’ তৃণমূলের বৈঠকে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের উপস্থিতি নিয়ে হইহই শুরু হতে সত্যতা প্রমাণে পরপর দু’দিন সাংবাদিক বৈঠক করতে হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রবিবারের বৈঠকে তিনি সাফ জানান, ”নির্মল ঘোষের ক্ষেত্রে রিজার্ভেশন আছে। ওঁকে আমরা নেব না। কেউ কেউ এটা নিয়ে রাজনীতি করছে।” তাহলে ঋত-শিবিরের রাজ্য কমিটির সদস্য হয়েছেন কোন নির্মল ঘোষ? খোঁজ বেশি করতে হয়নি। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তিনি। নামবিভ্রাট থেকে নতুন দায়িত্ব নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া তাঁর?

শনিবারের বৈঠকে তাঁর নামের সঙ্গে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়কের নামের মিলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে নির্মলবাবুর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘‘এক নাম তো দু’জনের হতেই পারে। আর তাছাড়া ঋতব্রত নিজে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন কাকে ডাকা হয়েছিল। আমাকে নতুন জায়গায় যেভাবে কাজ করতে বলা হবে, সেভাবেই করব।”

খড়গপুরের কৌশল্যার বাসিন্দা নির্মল ঘোষ আদতে কংগ্রেসি। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন। পরবর্তীতে মানস ভুঁইঞার সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে সেই পদ খোয়াতে হয়। তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন নির্মল ঘোষ। ধীরে ধীরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নিজের জমি শক্ত করেন। ছিলেন শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির প্রাক্তন জেলা সভাপতি।

Advertisement

এই মুহূর্তে তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের পরিবহণ ও পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের পদে রয়েছেন। সদ্য যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। হয়েছেন রাজ্য কমিটির সদস্যও। শনিবারের বৈঠকে তাঁর নামের সঙ্গে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়কের নামের মিলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে নির্মলবাবুর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘‘এক নাম তো দু’জনের হতেই পারে। আর তাছাড়া ঋতব্রত নিজে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন কাকে ডাকা হয়েছিল। আমাকে নতুন জায়গায় যেভাবে কাজ করতে বলা হবে, সেভাবেই করব।”

পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা পরিষদ এখনও বকলমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষে। জেলা সভাধিপতি, সহ সভাধিপতি থেকে একাধিক কর্মাধ্যক্ষ এখনও মমতাপন্থী। তাঁদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবেন নাকি পদ ছেড়ে দেবেন? তাতে নির্মলবাবু তিনটি শর্তের কথা উল্লেখ করেন। প্রথমত, ঋতব্রত শিবির যদি তাঁকে কর্মাধ্যক্ষের পদ ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তাহলে ইস্তফা দেবেন। দ্বিতীয়ত, রাজ্য কমিটির তরফে তাঁকে বিশেষ কোনও দায়িত্ব দিলে বর্তমানের পদ ছেড়ে দেবেন। তৃতীয়ত, যদি জেলা পরিষদের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ান সভাধিপতি বা কালীঘাট তৃণমূলের কেউ, তাহলে সেই আর কর্মাধ্যক্ষ পদে থাকবেন না। সামগ্রিকভাবে নতুন তৃণমূলের নির্দেশে রাজ্যবাসীর উন্নয়নে কাজ করতে চান বলে জানালেন নির্মল ঘোষ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.