Jalpaiguri Municipality

বাঁশি বাজিয়ে চিৎকার নয়, এবার রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনিয়ে ভোরবেলা বাড়ি থেকে ময়লা তুলবে পুরসভা!

ময়লা আছে গো ময়লা! এখন আর গলা ফাটিয়ে কিংবা বাঁশি বাজিয়ে নয়। সাতসকালে আপনার কানে বাজবে পরিচিত রবীন্দ্রনাথের গানের সুর! গান শুনেই আপনি বুঝতে পারবেন দুয়ারে এসেছে ময়লার গাড়ি। শহরকে ময়লা, আবর্জনা মুক্ত রাখার কর্মযজ্ঞে এবার বাঁশির বদলে গানের সংযোজন ঘটাল জলপাইগুড়ি পুরসভা।

শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৫:২১

options
link
বাঁশি বাজিয়ে চিৎকার নয়, এবার রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনিয়ে ভোরবেলা বাড়ি থেকে ময়লা তুলবে পুরসভা!
রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনিয়ে বাড়ি থেকে ময়লা নেবে জলপাইগুড়ি পুরসভা।

ময়লা আছে গো ময়লা! এখন আর গলা ফাটিয়ে কিংবা বাঁশি বাজিয়ে নয়। সাতসকালে আপনার কানে বাজবে পরিচিত রবীন্দ্রনাথের গানের সুর! গান শুনেই আপনি বুঝতে পারবেন দুয়ারে এসেছে ময়লার গাড়ি। শহরকে ময়লা, আবর্জনা মুক্ত রাখার কর্মযজ্ঞে এবার বাঁশির বদলে গানের সংযোজন ঘটাল জলপাইগুড়ি পুরসভা (Jalpaiguri Municipality)। তাতে বাড়ির আবর্জনা গাড়িতে ফেলতে এসে আপনার মন ভালো করে এই গান এমনটাই মনে করছেন পুর কর্তৃপক্ষ। তবে শুরু গান বাজানোই নয়, ময়লার গাড়ি নিয়মিত বাড়ি, বাড়ি যাচ্ছে কিনা জানতে গাড়িতে ট্র‍্যাকার লাগানোর ও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

২৫ ওয়ার্ডের জলপাইগুড়ি পুর এলাকায় প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষের বসবাস। রাস্তার ময়লা আবর্জনার পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি থেকে সংগ্রহের জন্য আলাদা আলাদা করে গাড়ি ও ভ্যান রিকশার ব্যবস্থা আছে। প্রতিদিন নিয়ম করে পাড়ায় ঢোকে এই গাড়ি। জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানান, এতদিন বাঁশি বাজিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিত। এবার বাড়ির বদলে গানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিটি গাড়িতে থাকবে সাউন্ড বক্স। তাতে মৃদুস্বরে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজবে। সাতসকালে বাঁশির ফুয়ের বদলে মৃদুস্বরে রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনে নাগরিকদের মন ভালো হয়ে যাবে বলে মনে করছেন পুর কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

জলপাইগুড়ি পুরসভায় আবর্জনা, ময়লা সংগ্রহের গাড়ির সংখ্যা ১৫। এছাড়াও ওয়ার্ড পিছু রয়েছে ময়লা বহনের উপযুক্ত ভ্যান গাড়ি। দিনভর শহর থেকে সংগ্রহ সব ময়লা নিয়ে ফেলা হয় শহরের বাইরে বালা পাড়ায়। আবর্জনা সংগ্রহের জন্য পঁচিশ ওয়ার্ড মিলিয়ে এক শতাধিক সাফাই কর্মী কাজ করে জলপাইগুড়ি পুরসভায়। আবার এদের অনেকের বিরুদ্ধে নিয়মিত বাড়ি বাড়ি না যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে পুর কর্তৃপক্ষের কাছে। তাঁদের হুঁশিয়ার দেওয়ার পাশাপাশি এবার ফাঁকিবাজি আটকাতে ময়লার গাড়িতেবিশেষ ট্র‍্যাকার লাগানোর ও পরিকল্পনা রয়েছে। এতে কে কোথায় কাজ করছেন। কার কার বাড়িতে গিয়েছেন সবটাই জেনে নেওয়া সম্ভব হবে বলে চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.