সরকারি স্কুল, ফাঁকা মাঠ, জমির মাঝখানে বসে ভিপিএন ব্যবহার করে সাইবার প্রতারণা। এই ‘অপারেশনে’ যুক্ত থাকার অভিযোগে রায়গঞ্জের (Raiganj) গৌরীগ্রাম পঞ্চায়েতের ইটাল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে ৫টি মোবাইল, ৭টি এটিএম কার্ড, ৩টি ব্যাঙ্কের পাসবুক, ৩টি চেকবুক, এছাড়া বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরে অভিযুক্তদের মোবাইল টাওয়ার লোকেশনের দিকে নজর রাখছিল রায়গঞ্জ সাইবার ক্রাইম থানা। সন্দেহজনক দু-তিনটি মোবাইল টাওয়ার লোকেশনের খোঁজ মেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তদন্তকারীরা দেখেন, ওই সন্দেহজজনক মোবাইল নম্বরগুলি টাওয়ার লোকেশন একই। সেই সূত্র ধরে ইটাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হানা দেয় সাইবার ক্রাইমের বিশেষ দল।
এরপর সন্ধ্যার দিকে হাতেনাতে ৮ জনকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতেরা হল রবিউল ইসলাম, ওবাইদুল্লা শেখ, সুরজকুমার ঠাকুর, অখিলেশ কুমার, ছোটেলাল পাশমান, কুমোদ পাশমান, বুদ্ধদেব নুনিয়া, একরামুল হোসেন ওরফে সঞ্জয়। রবিউল ও ওবাইদুল্লা ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জের বাসিন্দা। সুরজকুমার, অখিলেশ, ছোটেলাল, কুমোদ বিহারের পূর্ণিয়ার বাসিন্দা। বুদ্ধদেব মালদহের চাঁচলে থাকে। ইটাহারের চূড়ামনের বাসিন্দা একরামুল। তদন্তকারীদের দাবি, রায়গঞ্জের পর শিলিগুড়িতে ঘাঁটি গেড়ে প্রতারণার ছক ছিল ওই আটজনের। এই প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের পুলিশ সুপার সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ বলেন, “বিহার ও ঝাড়খণ্ডের যুবকরা কমিশন দিয়ে এখানে এসে এই ধরনের অপরাধ ঘটাচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যেই প্রগতি পোর্টাল এবং এনসিআরপিতে রিপোর্ট করেছি। উৎসবের মরশুমে এরা বেশি টার্গেট করে। ব্যাঙ্কের কেওয়াইসি, ইলেকট্রিসিটি বিল, ট্রাফিক চালান, টাওয়ার বসানোর জন্য ফোন করে প্রতারণা করে। সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে বলব।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?