Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৩ অক্টোবর ২০২৬
Siliguri Nandi Bari Durga Puja

পান্তাভাত-ইলিশ খাইয়ে উমা বিদায়, বাংলার এই পুজোয় জড়িয়ে ভারতের প্রাক্তন উইকেটরক্ষকও

পুজোর ভোগে রয়েছে বিশেষত্ব।

অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১৩:৩৯

link
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১৩:৩৯

options
link
পান্তাভাত-ইলিশ খাইয়ে উমা বিদায়, বাংলার এই পুজোয় জড়িয়ে ভারতের প্রাক্তন উইকেটরক্ষকও zoom
শিলিগুড়ি লেকটাউনের নন্দী বাড়ির পুজো। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

এখানে মাকে মেয়ের মতো করে পুজো করা হয়। প্রায়শই এই পুজোয় হাজির হন ভারতের প্রাক্তন উইকেটরক্ষক ঋদ্ধিমান সাহা। আবার নিয়ম মেনে পুজোর চারদিনই মাকে ভোগ দেওয়া হয়। তবে দশমীর দিন পান্তাভাত, কচুশাক, ইলিশ মাছ ভাজা দিয়ে খাইয়ে বাড়ি পাঠানো হোক। শিলিগুড়ি লেকটাউনের নন্দী বাড়ির পুজোর (Siliguri Nandi Bari Durga Puja) বয়স ২০হলেও এলাকায় বিরাট নামডাক। তার মধ্যে আবার ঋদ্ধিমান আসায় পুজোর গ্ল্যামারও বেড়েছে একলাফে অনেকটা।

চতুর্থী পড়লেই নন্দী বাড়িতে মা দূর্গার আগমন হয়। আবার একইভাবে বাড়ির আত্মীয়স্বজনরাও ভিড় জমান। সূদূর লন্ডন থেকেও পরিবারের লোকজন আসে। আর মা আসতেই তাকে মেয়ের মতো করে বরণ করা হয়। এরপর ঢাক-ঢোল বাজিয়ে পুজো শুরু হয়ে যায়। সপ্তমীতে মা কে দেওয়া অন্নভোগ। ওইদিন মায়ের পাতে থাকে ভাত, ডাল, শাকভাজা ও পাঁচরকমের ভাজা, চাটনি, মিষ্টি। অষ্টমীতে আবার খিচুড়ি, তরকারি, পাঁচরকমের ভাজা, চাটনি, মিষ্টি। নবমীতেও থাকে হরেক খাবার। ওইদিন মায়ের পাতে পড়ে পোলাও, পনীর, ফুলকপি, পাঁচরকমের ভাজা, চাটনি, পায়েস, মিষ্টি। তবে দশমীতে মাকে আর নিরামিষ খাওয়ানো হয় না। ওইদিন পান্তাভাত, কচুশাক, ইলিশ মাছ ভাজা, চাটনি, মিষ্টি। নন্দীবাড়ির পুজোয় এটাই বড় আকর্ষণ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাড়ির কর্তা প্রয়াত মন্মথ চন্দ্র নন্দী এই পুজোর সংকল্প করেন। তার ছোট ছেলে তাপস নন্দী পুজো শুরু করে দেন। এখনও মন্মথবাবুর স্ত্রী মীরা নন্দী ৮০বছর বয়সেও চারদিন ধরে উপোস করে পুজো করেন। মীরা নন্দী বলেন, “আমাদের নিয়ম হল মা কে ইলিশ মাছ খাইয়ে পাঠাতে হয়। তাই ওইদিন বিদায়পর্ব হলেও আমাদের বেশ ভালোই লাগে মেয়েকে মাছ খাইয়ে বাড়ি পাঠাতে পারি।” তাপস নন্দীর কথায়, “মায়ের পুজোয় চারদিন মাকে নানান ভোগ নিবেদন করা আমাদের নিয়ম। ২০বছর হলেও পাড়ায় সবাই আমাদের পুজোয় হাজির হয়।” আবার বাড়ির মেয়ে মৌমিতা মিত্রের ছোটবেলার বন্ধু ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর ডাকেই এই পুজোতে সপরিবারে হাজির হয় পাপালি। মৌমিতা বলেন, “প্রতিবছর পুজোতেই ওকে নিমন্ত্রণ করি। ৪-৫ বার ও এসেছে আমাদের পুজোয়। এবছরও বলেছি তবে আসবে কিনা এখনও জানা নেই।” এদিকে ঋদ্ধি আসার কারণে এই পুজো তার নামেও খ্যাত হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.