Jhargram Accident

জলপ্রপাতের খাদে আটকে দেহ! প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর ঘাঘরায় উদ্ধার প্রীতির দেহ

জানা গিয়েছে, বারুইপুরের হরিহরপুর পঞ্চায়েতের বেনিয়াডাঙা বর্ধনপাড়ার বাসিন্দা প্রীতি।

সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২৬, ২০:৪৪

options
link
জলপ্রপাতের খাদে আটকে দেহ! প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর ঘাঘরায় উদ্ধার প্রীতির দেহ
৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার হল বারুইপুরের বাসিন্দা প্রীতির দেহ।

সাত বছরের ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে শনিবার ঘাঘরা জলপ্রপাতের জলে তলিয়ে গিয়েছিলেন প্রীতি দত্ত। দিনভর তল্লাশির পর ঘটনার প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার হল দেহ। রবিবার জলপ্রপাতেরই একটি খাদে দেহ পড়ে থাকতে দেখেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। জানা যায়, জলপ্রপাতের একটি অংশে জল আটকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তখনই জলের নীচে প্রথমে তাঁর পা দেখা যায়। পরে সেখান থেকে দেহটি উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা।

Advertisement

ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা বলেন, “টানা তল্লাশি অভিযানের পর সন্ধ্যার পর দেহ উদ্ধার হয়েছে।”

শনিবার কলকাতা এবং আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে প্রায় ৩৬ জনের একটি পর্যটক দল ঝাড়গ্রাম (Jhargram) ঘুরতে যান। সেই দলেই ছিলেন বারুইপুরের বাসিন্দা প্রীতি দত্ত। জানা যায়, শনিবার দুপুরেই সাত বছরের ছেলে প্রিয়ঙ্কনকে নিয়ে ঘাঘরা জলপ্রপাত দেখতে যান তিনি। ছবি তোলার সময়ে আচমকা পা পিছলে জলে পড়ে যায় প্রিয়ঙ্কন। ছেলেকে বাঁচাতে জলে ঝাঁপ দেন প্রীতি। প্রবল স্রোতের মধ্যে তিনিও তলিয়ে যান। পরে প্রিয়ঙ্কনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও প্রীতির খোঁজ মেলেনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে উদ্ধারকাজ।

শনিবার থেকেই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। কিন্তু অন্ধকার নেমে যাওয়ায় রাতে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে উদ্ধারকাজ। আজ, রবিবার সকাল থেকে হুগলির আরামবাগ থেকে এনডিআরএফের ৩০ জনের একটি দল ঘাঘরায় পৌঁছয়। সঙ্গে ছিলেন সিভিল ডিফেন্স এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরাও। কিন্তু জলপ্রপাতের ওই অংশে প্রবল খরস্রোতের কারণে ডুবুরিদের জলে নামানো সম্ভব হয়নি। জলের স্রোতের গতি কমানোর জন্য রবিবার সকাল থেকেই বালির বস্তা ও বোল্ডার ফেলে জল আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু প্রবল স্রোতের কারণে সেই চেষ্টা বিশেষ কাজে আসেনি। পরে জল আটকে অন্য দিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাতেই জলের নীচে প্রীতির পা নজরে আসে। এরপর উদ্ধারকারীরা দেহটি উদ্ধার করেন। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা বলেন, “টানা তল্লাশি অভিযানের পর সন্ধ্যার পর দেহ উদ্ধার হয়েছে।” জানা গিয়েছে, বারুইপুরের হরিহরপুর পঞ্চায়েতের বেনিয়াডাঙা বর্ধনপাড়ার বাসিন্দা প্রীতি। সেখানে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বেড়াতে গিয়ে যে এমন হতে পারে, তা কল্পনাতেও ভাবতে পারছেন না কেউ।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.