Jyoti Basu

মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়সারণি: জ্যোতি বসু

ড. বিধানচন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন জ্যোতি বসু। ১৯৬৪ সালে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি যখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, তখন ‘ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)’-তে যোগ দেন। ১৯৭৭ সালের ২১ জুন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জ্যোতি বসু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৭:৩৪

options
link
মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়সারণি: জ্যোতি বসু
জ্যোতি বসু। ফাইল ছবি

দীর্ঘ ২৩ বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতি বসু। পশ্চিমবঙ্গের ষষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী তিনি। তাঁর জীবদ্দশায় তিনি ভারতের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জন্ম ৮ জুলাই, ১৯১৪।

Advertisement

ছাত্রাবস্থায় উচ্চশিক্ষার উদ্দেশে পাড়ি দেন ইংল্যান্ড। সেখানে ‘লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স’-এ অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হ্যারল্ড ল্যাস্কির বক্তৃতা শুনে উদ্দীপ্ত হন। কার্ল মার্কসের ‘দাস ক্যাপিটাল’ ও ‘দ্য কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’ তাঁকে উদ্বুদ্ধ করে কমিউনিস্ট ভাবাদর্শে। দেশে ফিরে এলেন জ্যোতি বসু। ১৯৪০ সালে গ্রহণ করলেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ড. বিধানচন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন জ্যোতি বসু। ১৯৬৪ সালে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি যখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, তখন ‘ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)’-তে যোগ দেন।

Advertisement

১৯৭৭ সালের ২১ জুন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জ্যোতি বসু।পশ্চিমবঙ্গে সেই প্রথম বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর উদ্যোগে চালু হয় ‘ভূমি সংস্কার’, যাতে ভাগচাষিরা উপকৃত হয়। এবং বাংলার গ্রামাঞ্চলে জ্যোতি বসুর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও তাঁর উদ্যোগে বলীয়ান হয় ট্রেড ইউনিয়ন।

১৯৭৭ সালের ২১ জুন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জ্যোতি বসু।পশ্চিমবঙ্গে সেই প্রথম বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর উদ্যোগে চালু হয় ‘ভূমি সংস্কার’, যাতে ভাগচাষিরা উপকৃত হয়। এবং বাংলার গ্রামাঞ্চলে জ্যোতি বসুর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও তাঁর উদ্যোগে বলীয়ান হয় ট্রেড ইউনিয়ন। রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্ব দেন তিনি।

বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিক স্বচ্ছলতা হারাচ্ছিলেন জ্যোতি বসু। ৫ নভেম্বর, ২০০০, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। রাজনীতিবিদ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের হাতে মুখ্যমন্ত্রিত্বের দায়িত্ব তুলে দেন তিনি। ১৭ জানুয়ারি, ২০১০ তাঁর জীবনবসান ঘটে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.