Anubrtata Mandal

‘কেন দেউচায় অনুব্রত, জানা নেই’, বীরভূমের কোর কমিটির বৈঠক শেষে বললেন কাজল

পরবর্তী বৈঠক ১৯ এপ্রিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৫, ১৮:২১

options
link
‘কেন দেউচায় অনুব্রত, জানা নেই’, বীরভূমের কোর কমিটির বৈঠক শেষে বললেন কাজল

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: বীরভূমে কেষ্টহীন কোর কমিটির বৈঠক শেষ। শনিবার দেউচা পাচামির বৈঠক থাকায় কোর কমিটির আলোচনায় গরহাজির ছিলেন চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে বীরভূমের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ জানান, দেউচা নিয়ে কলকাতায় বৈঠক রয়েছে। অনুব্রত কেন দেউচা গেলেন তা তিনি জানেন না।

Advertisement

কিছুদিন আগে ২২ মার্চ জেলা কমিটির বৈঠক ডেকেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু কাজল শেখের ‘আপত্তি’তে সেই বৈঠক বাতিল করে এদিন কোর কমিটির বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠক ডাকেন কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী। দলীয় নীতি মেনে বোলপুরের এই বৈঠকে কেষ্ট মণ্ডলেরও থাকার কথা ছিল। কিন্তু দেখা যায়, এদিন দুপুরে তিনি বোলপুরের পার্টি অফিসের বদলে মহম্মদবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। আবার প্রচুর কাগজপত্র নিয়ে কোর কমিটির বৈঠকে ঢুকতে দেখা যায় কাজল শেখকে।

Advertisement

অনুব্রতকে ছাড়াই ঘণ্টাখানেকের বৈঠক হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে কাজল বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কোর কমিটির বৈঠকে বসেছি। কে এল, কে এল না, কে গেল, তা আমি জানি না।” তাঁর আরও সংযোজন,”আমাদের কোর কমিটিতে সমন্বয়ের কোনও অভাব নেই। কেন বৈঠক ডাকা হচ্ছিল না, তা নিয়েই আমি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলাম।” অনুব্রতর গরহাজিরা এবং তাঁর দেউচার বৈঠকে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে কাজল বলেন, “দেউচা নিয়ে আজ কলকাতার বুকে জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার ও পি বি সেলিমের বৈঠক রয়েছে। সেক্ষেত্রে জেলায় কোনও বৈঠক নেই। সেক্ষেত্রে অনুব্রত মণ্ডল জেলা কী উদ্দেশে গিয়েছেন, তা জানি না। বলতে পারব না।” যদিও কেষ্টর গরহাজিরা সম্পর্কে কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই উনি (অনুব্রত) দেউচা গিয়েছেন। ওখানে একটা সমস্যা হয়েছে। এদিনের বৈঠকের সিদ্ধান্ত ওঁকে জানিয়ে দেওয়া হবে। আসা করি, তিনি সহমত হবেন।”

Advertisement

এদিনের ঘণ্টাখানেকের বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। একগুচ্ছ প্রস্তাব পাশ হয়েছে। যেমন-সামনেই রামনবমী। যে যেখানে থাকেন সেই দলীয় নেতারা এলাকার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দিকে নজর রাখতে হবে। দলের নির্দেশে জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এক বা বিএলএ এক (দলীয়) হিসেবে দীপক রায়ের নাম পাশ হয়েছে। এর পাশাপাশি সিউড়ি ২ ব্লকের অঞ্চল কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। জেলা সভাপতিকে বলা হবে, ওই এলাকার সকল অঞ্চল কমিটির সভাপতিদের ডেকে একটি বৈঠকে সমন্বয় তৈরির বার্তা দিতে। মহকুমা ভিত্তিক পরবর্তী বৈঠক ১৯ এপ্রিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.