বঙ্গে পালাবদল
Kakoli Ghosh Dastidar

কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে হাজির কাকলি, যোগ তিন তৃণমূল বিধায়কেরও

কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে বেনজির ছবি!

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১৪:১৬

options
link
কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে হাজির কাকলি, যোগ তিন তৃণমূল বিধায়কেরও
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) প্রশাসনিক বৈঠকে বেনজির ছবি! বৈঠকে যোগ দিলেন বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। গত কয়েকদিন আগেই বারাসত জেলা সভাপতির পদ ছাড়েন তিনি। শুধু তাই নয়, মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপের পদ যেতেই সমাজমাধ্যমে কার্যত বোমা ফাটান। তাঁকে ঘিরে শুরু হয়েছে দলবদলের চর্চাও। তার মধ্যেই এদিন কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেখা গেল কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। বৈঠক প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, এটা কোনও দলীয় কর্মসূচি নয়। এটি প্রশাসনিক কর্মসূচি। সেই কারণেই তিনি উপস্থিত হয়েছেন। শুধু সাংসদই নন, বৈঠকে রয়েছেন স্বরূপনগর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক বিনা মন্ডল, দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ এবং হাড়োয়ার বিধায়ক মোহাম্মদ আব্দুল মতিন।

Advertisement

বৈঠক প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, এটা কোনও দলীয় কর্মসূচি নয়। এটি প্রশাসনিক কর্মসূচি। সেই কারণেই তিনি উপস্থিত হয়েছেন। শুধু সাংসদই নন, বৈঠকে রয়েছেন স্বরূপনগর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক বিনা মন্ডল, দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ এবং হাড়োয়ার বিধায়ক মোহাম্মদ আব্দুল মতিন।

আজ, মঙ্গলবার কল্যাণীতে দলের সমস্ত সাংসদ, বিধায়কদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরাও। মূলত তিন জেলা অর্থাৎ নদিয়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনা নিয়ে হবে এই বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই আমন্ত্রণ জানানো হয় বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়কদের। রাজ্যে পালাবদলের পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সিদ্ধান্ত নেন, এবার থেকে সমস্ত প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকা হবে বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়কদের। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বয়কটের রাজনীতি’র উলটো পথে হেঁটেই এহেন সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো এদিন কল্যাণীর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ এবং বিধায়কদেরও ডাকা হয় বলে খবর। সেই আমন্ত্রণ পেয়েই এদিন বৈঠকে যোগ দেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ আরও তিন তৃণমূল বিধায়ক। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কাকলির উপস্থিতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্যে পালাবদলের পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সিদ্ধান্ত নেন, এবার থেকে সমস্ত প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকা হবে বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়কদের। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বয়কটের রাজনীতি’র উলটো পথে হেঁটেই এহেন সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো এদিন কল্যাণীর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ এবং বিধায়কদেরও ডাকা হয় বলে খবর।

উল্লেখ্য, ডা. কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের বহু যুগের সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নানা সময়ে পথে নেমে আন্দোলনে তাঁকে দেখা গিয়েছে। বারাসতের তিন তিনবার সাংসদ হওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি এবং মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর পদও দীর্ঘদিন সামলেছেন। লোকসভাতেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তা হল, মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপ।

Advertisement

কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে দলের বড় বিপর্যয়ের পর ওই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। চিফ হুইপের দায়িত্ব পান আরেক বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে কাকলি বেশ গোঁসা করে পোস্ট করেছিলেন সোশাল মিডিয়ায়। লিখেছিলেন, দলের প্রতি চার দশকের আনুগত্যের পুরস্কার মিলল। এরপরেই রবিবার দলের জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এরপরেই রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই হয়তো তৃণমূল ছাড়তে পারেন তিনি। এহেন জল্পনার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে কাকলির যোগ অন্যমাত্রা পেয়েছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.