কন্যাশ্রীদের স্বনির্ভরতায় নয়া উদ্যোগ, বড়দিনে বাজারে আসছে ‘ES-কেক’

কন্যাশ্রীদের কেক তৈরির প্রশিক্ষণ জেলা প্রশাসনের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১২:০২

options
link
কন্যাশ্রীদের স্বনির্ভরতায় নয়া উদ্যোগ, বড়দিনে বাজারে আসছে ‘ES-কেক’

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: আসছে বড়দিন। আর বড়দিনের বাজারে আসছে ‘এস-কেক’।  কেক-মাফিন্স। না কোনও বহুজাতিক বা বিখ্যাত কোনও সংস্থা নয়,  কন্যাশ্রী কন্যাদের তৈরি কেক।

Advertisement

[নাবালিকার বিয়ে রুখতে গিয়ে পুলিশি হেনস্তার শিকার বিডিও]

Advertisement

আন্তর্জাতিক মঞ্চে পুরস্কৃত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প কন্যাশ্রী। এবার সেই প্রকল্পের সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্রীরাই কেক-মাফিন্স-সহ বিভিন্ন বেকারির খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করে স্বনির্ভরতার দিশা পেতে চলেছে। সৌজন্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। জেলার কন্যাশ্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক শারদ্বতী চৌধুরীর কথায়, “এটা কন্যাশ্রী কন্যাদের উত্তরণের একটা মাধ্যম। যার মাধ্যমে কন্যাশ্রীর কে-২ প্রকল্পে প্রাপ্ত ভাতার টাকা দিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে ছাত্রীরা।” আগামী ২১ ডিসেম্বর বর্ধমানের হাটগোবিন্দপুরের ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে কন্যাশ্রী প্রকল্পের সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্রীদের কেক-মাফিন্স ও অন্যান্য বেকারির খাদ্যামগ্রী তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাদের তৈরি খাদ্যসামগ্রী ইএস-কেক নামে বাজারজাত করারও সুযোগ করে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে বাড়ির প্রয়োজনেও প্রশিক্ষণ নিয়ে কেক তৈরি করতে পারবে তারা।

Advertisement

[উঁচু জাতের মেয়েকে বিয়ে, জাতপাতের টানাটানিতে সবংয়ে একঘরে পরিবার]

সেই ছয়ের দশকে জন স্টার্জেস পরিচালিত হলিউড মুভি দ্য গ্রেট এসকেপ। জার্মান শিবির থেকে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ যুদ্ধবন্দিদের পালানোর কাহিনি নিয়ে এই সিনেমা। একইভাবে কন্যাশ্রী কন্যাদের ‘বন্ধনমুক্তি’ ঘটাবে ‘দ্য গ্রেট এস-কেক’। হলিউড মুভি আর কন্যাশ্রীদের নিয়ে জেলা প্রশাসনের কর্মসূচির একটি টিজারও বানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ আকর্ষণীয়ও হয়ে উঠেছে যা। কন্যাশ্রী প্রকল্পের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, কলকাতার একটি বিখ্যাত কেক-প্রস্তুতকারক সংস্থা থেকে স্বাগতা বসু আসছেন প্রশিক্ষণ দিতে। জেলা শাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তবও থাকবেন শিবিরে। কন্যাশ্রী প্রকল্পের ছাত্রীদের একটি করে কেক-মাফিন্স তৈরির জন্য একটি করে কনভেকশন মাইক্রোওয়েভ ওভেনও দেওয়া হবে। কন্যাশ্রী কে-২ প্রকল্পে ছাত্রীরা ২৫ হাজার টাকা করে পেয়ে থাকে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে। সেই টাকা যাতে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর কাজে ব্যবহার করতে পারে সেই লক্ষেই এই প্রশিক্ষণ।  হাটগোবিন্দপুরের কলেজের এই প্রশিক্ষণ শিবিরকে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে নিয়েছে প্রশাসন। সামনেই বড়দিনের উৎসব। উৎসবের এই মরশুমকে কাজে লাগিয়ে রোজগারের দিশা দেখানো হবে কন্যাশ্রী কন্যাদের। এই কলেজের সাফল্য দেখে পরবর্তী ধাপে অন্য কলেজের কন্যাশ্রীর সুবিধাপ্রাপ্তদেরও একইভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ইএস-কেক চেখে দেখার অপেক্ষায় অনেকেই থাকছেন।

ছবি: মুকলেসুর রহমান

[পৌষে শীতের আগমনী, রবিবার মরশুমের শীতলতম দিন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.