Khejuri

সমবায় ভোটে জিতে বিজেপির তাণ্ডব খেজুরিতে! বোমাবাজি, তৃণমূল প্রার্থীকে ‘মারধর’

তৃণমূলের অভিযোগ, সোমবার সকালেও তৃণমূল প্রার্থীর পরিবারের লোককে মারধর করেছে বিজেপি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:১১

options
link
সমবায় ভোটে জিতে বিজেপির তাণ্ডব খেজুরিতে! বোমাবাজি, তৃণমূল প্রার্থীকে ‘মারধর’
নিজস্ব ছবি

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: সমবায় ভোটকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খেজুরি। রাতভর তুমুল বোমাবাজির অভিযোগ। উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। রবিবার সকালে এলাকায় পৌঁছায় প্রচুর পুলিশ। আর এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। রাজনৈতিক মহলের দাবী, সমবায় ভোটের সময় এমন ঘটনা ঘটলে বিধানসভা ভোটে খেজুরি কেমন চেহারা নেবে সেই প্রশ্ন ঘুরছে সকলের মনে।

Advertisement

জানা গেছে, পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির দুই নম্বর ব্লকের জনকা অঞ্চলের গোড়াহার সমবায় সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার মধ্যরাত থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বিজেপির দাবি, তৃণমূল ক্রমাগত বোমাবাজি করেছে এলাকায়। বিজেপি সমর্থিত প্রার্থী অমৃত পাত্রর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার পাশাপাশি দশ রাউন্ডের বেশি গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। রবিবার সকালে খেজুরি থানার পুলিশ পৌঁছে এলাকা থেকে বোমা উদ্ধার করে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

Advertisement

এদিকে টানটান উত্তেজনার মধ্যেই রবিবার সকাল থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ফলাফল ঘোষনা হতেই দেখা যায় গোড়াহার সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির পরিচালন কমিটির নয় আসনের সবকটিতেই জিতেছে বিজেপি। খেজুরি দুই ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সমুদ্ভব দাস বলেন, “খেজুরি ২নম্বর ব্লক এলাকায় বিজেপির প্রভাব রয়েছে। দুটো ভোটে তো আমরা কাজই করতে পারিনি। ওরাই জোর জুলুম করে আমাদের ভোটারদের গালিগালাজ করে। এলাকায় সন্ত্রাস কায়েম করে রেখেছে।” তাঁর অভিযোগ বিজেপি-র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। মানুষের ভোটে নয়, ভয় দেখিয়ে,সন্ত্রাস করে সমবায়ে ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি।” তাঁর দাবি, বিজেপি জেতার পরে ফের সন্ত্রাস করেছে এলাকায়। তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ করেছেন তিনি। সমুদ্ভব দাস বলেন, সোমবার সকালেও তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে চড়াও হয়ে পরিবারের লোককে মারধর করেছে বিজেপি।

Advertisement

তৃণমূলের এই দাবি নস্যাৎ করে খেজুরি দুই পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা, বিজেপির পবিত্র দাস বলেন, “পরাজয়ের ভয়ে ওরা শনিবার রাত থেকে বোমাবাজি করতে শুরু করে। ব্লকের সীমানাগুলোকে বাংলাদেশি মডেল তৈরি করেছে। সমবায় ভোটেও বোমাবাজি করে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি করে ভোট লুঠ করতে চেয়েছিল।” তাঁর দাবি, “মানুষ তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দিয়েছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষ রুখে দাঁড়িয়ে বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীদের জয়ী করেছেন। এই জয় মানুষের জয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.