Malda Airport

মালদহ বিমানবন্দর সম্প্রসারণে জমি সমীক্ষা শুরু, আকাশপথে আরও মসৃণ যোগাযোগই লক্ষ্য

বর্তমানে ১,৩৫০ মিটার দীর্ঘ বিমানবন্দরের রানওয়ে প্রায় ১,১৫০ মিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সমীক্ষার সময় সম্ভাব্য সম্প্রসারণের এলাকা পরিদর্শন করে জমির প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখা হয়।

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৬, ১৩:০৫

options
link
মালদহ বিমানবন্দর সম্প্রসারণে জমি সমীক্ষা শুরু, আকাশপথে আরও মসৃণ যোগাযোগই লক্ষ্য
মালদহ বিমানবন্দর সম্প্রসারণে জমি সমীক্ষা শুরু

মালদহ বিমানবন্দরের (Malda Airport) রানওয়ে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে যৌথভাবে হল শুরু জমি সমীক্ষা। জেলা প্রশাসনের ভূমি ও ভূমি সংস্কার, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা এবং রাজ্যের পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকরা প্রাথমিক সমীক্ষায় অংশ নেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে ১,৩৫০ মিটার দীর্ঘ বিমানবন্দরের রানওয়ে প্রায় ১,১৫০ মিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সমীক্ষার সময় সম্ভাব্য সম্প্রসারণের এলাকা পরিদর্শন করে জমির প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখা হয়।

Advertisement

প্রাথমিক হিসেবে প্রায় ৫৮.৮৫ একর জমির প্রয়োজন হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। জেলাশাসক জানান, রানওয়ে সম্প্রসারণ হলে মালদহের বিমান যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। পাশাপাশি যাত্রী পরিষেবা, বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আগামী দিনে আরও বিস্তারিত কারিগরি সমীক্ষা ও জমি সংক্রান্ত মূল্যায়নের কাজ করা হবে।

Advertisement

পুরুলিয়া এবং মালদহে নতুন বিমানবন্দর তৈরি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল। পুরুলিয়ার ছররায় জমি জরিপের কাজও খানিকটা হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে। মালদহেও সেই কাজ হয়েছিল। তবে শেষপর্যন্ত কাজ বিশেষ এগোয়নি। নতুন রাজ্য সরকারের আমলে সেই কাজে গতি এসেছে। উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরের উপর চাপ কমিয়ে আকাশপথে যোগাযোগ আরও মসৃণ করতে মালদহে বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা। অন্যদিকে, দুর্গাপুরের অন্ডাল বিমানবন্দরের পাশাপাশি জঙ্গলমহল এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়াতে বিমানবন্দর তৈরি হবে বলে ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

Advertisement

গত ৪মে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর রাজ্যকে ঢেলে সাজানো নিয়ে একাধিক পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে অন্যতম গোটা রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত এবং দ্রুত করা। যার জন্য কলকাতার বাইরে জেলা শহরগুলিতেও পাতাল পরিষেবার ভাবনা ছিল রাজ্য সরকারের। শুভেন্দু অধিকারীর পরামর্শ ছিল, যেসব শহরে ২৫ থেকে ৩০ লক্ষের বেশি মানুষের বসবাস, সেখানে মেট্রো পরিষেবা চালু হোক। সেইমতোই বাজেটে প্রস্তাব রাখেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তাঁর ঘোষণা মতো উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল, দুর্গাপুরেও ছুটবে মেট্রোরেল। দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার কথা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.