ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা। বিকাশ ভট্টাচার্যের পুনরাবৃত্তি হল না। রাজ্যসভার পঞ্চম আসনের লড়াইয়ে সবার আগে মনোনয়ন জমা দিল বামেরা। সোমবার পরপর মনোনয়ন পেশ করেন কংগ্রেস এবং তৃণমূলের প্রার্থীরা।
[রাজ্যসভার ভোটে বিকাশ ভট্টাচার্যর মনোনয়ন বাতিল!]
অভিষেক মনু সিংভিকে তৃণমূলের সমর্থনের পর রাজ্যসভার পঞ্চম আসনের ছবি বদলে যায়। কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে বামেদের মধ্যে যে টালবাহানা চলছিল সেই সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালে বেকায়দায় পড়া আলিমুদ্দিন শেষ পর্যন্ত ওয়াকওভার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অভিষেক মনু সিংভির বিরুদ্ধে ময়দানে নামানো হয় হেভিওয়েট রবীন দেবকে। অঙ্কের হিসাবে হার কার্যত নিশ্চিত জেনেও পরিষদীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ রবীন দেবকে প্রার্থী করা হয়। সবার শেষে তাঁর নাম ঘোষণা হলেও রাজ্যসভার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্য ফার্স্ট বয় বামেরা। সোমবার এগারোটার মধ্যে প্রার্থীকে নিয়ে বিধানসভায় হাজির হয়ে যান সিপিএম নেতারা। সাড়ে এগারোটা নাগাদ বিধানসভায় সচিব জয়ন্ত কোলের ঘরে গিয়ে রবীন দেব মনোনয়ন জমা দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আসেন বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী, বিধায়ক মানস মুখোপাধ্যায়। রাজ্যসভার ভোটের জন্য রিটার্নিং অফিসার জয়ন্ত কোলে। বামেরা বিধানসভায় ঢোকার কিছু পর সেখানে পৌঁছে যান কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক মনু সিংভি। বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের সঙ্গে তিনি ভোটের অঙ্ক নিয়ে আলোচনা করেন। বেশ কয়েকজন কংগ্রেস বিধায়কও ছিলেন তাঁর সঙ্গে। বারোটা নাগাদ একসঙ্গে বিধানসভায় যান তৃণমূলের চার প্রার্থী নাদিমুল হক, শান্তনু সেন, আবির বিশ্বাস এবং শুভাশিস চক্রবর্তী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা।

[টেনশনে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা, বরফ-কর্পূর জল খাওয়াবে তৃণমূল]
গত বছর রাজ্যসভা নির্বাচনের সময় বড় ভুল করেছিল বামেরা। দেরিতে ঢোকা এবং কাগজপত্র ত্রুটির কারণে বিকাশ ভট্টাচার্যর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। বিনা লড়াইয়ে জিতে যান তৃণমূল সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সেই ভুলের যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য এদিন আগেভাগে মনোনয়ন জমা দেন রবীন দেব। মনোনয়ন সবার আগে জমা পড়লেও তাঁর জেতার সম্ভাবনা কতটা তা নিয়ে শুরু হয়েছে অঙ্ক কষা। এই মুহূর্তে বামেদের ৩০ বিধায়ক রয়েছেন। কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৩৩। চারজনকে জিতিয়েও তৃণমূলের হাতে বাড়তি থাকবে ৩৩টি ভোট। সিংভির জয়ের জন্য দরকার ৪৫টি ভোট। দুই কংগ্রসের ভোট যোগ হলে সিংভির রাজ্যসভায় যাওয়া আর কোনও অনিশ্চয়তা থাকবেন। বর্তমানে সমীকরণে হার প্রায় নিশ্চিত জানলেও মচকাচ্ছেন না রবীন দেব। দেশের যা রাজনৈতিক পরিস্থিতি তার প্রেক্ষিতে তিনি ভোটের ভোটের আবেদন জানিয়েছেন। জনপ্রতিনিধিরা বর্তমান পরিস্থিতি বুঝে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে আশাবাদী বাম প্রার্থী।
[বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছে না স্ত্রী, ফ্লেক্স ছাপিয়ে দরজায় অনশনে স্বামী]
সর্বশেষ খবর
-
৬০ ঘণ্টা নেপালের ‘মৃত্যুস্তূপে’! উদ্ধার হতেই মা-বাবাকে শিশুকন্যার প্রশ্ন, ‘বাঁচাতে এলে না কেন?’
-
হিংসা রুখতে ভোটগণনায় বিরাট বদলের ভাবনা! কেন্দ্রের মত জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট
-
প্রসন্ন হবেন গণপতি বাপ্পা, মিলবে আশীর্বাদ, বাড়িতেই বানিয়ে অর্পণ করুন এই ৫ ভোগ
-
বিশ্ব উষ্ণায়নে বাড়ছে জলস্তর, সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে কলকাতা-মুম্বই! সতর্কবার্তা রাষ্ট্রসংঘের
-
তামিলনাড়ুর ৫২ মন্দিরে স্মার্টফোনে ‘না’, কাদের জন্য ছাড়? জানাল বিজয়ের সরকার