Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nepal flash floods

৬০ ঘণ্টা নেপালের ‘মৃত্যুস্তূপে’! উদ্ধার হতেই মা-বাবাকে শিশুকন্যার প্রশ্ন, ‘বাঁচাতে এলে না কেন?’

তাকে ৩০ আগস্ট বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিপর্যয়ের পর অসহায় মাতৃত্বের উত্তর, "আমরা ভাবিনি ও বেঁচে থাকবে।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৪:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৪:৩০

options
link
৬০ ঘণ্টা নেপালের ‘মৃত্যুস্তূপে’! উদ্ধার হতেই মা-বাবাকে শিশুকন্যার প্রশ্ন, ‘বাঁচাতে এলে না কেন?’ zoom
হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপাল।
Advertisement

মাত্র ৫ সেকেন্ড। তাতেই সব শেষ। ভেসে যায় গোটা বাড়ি। বাইরে থাকায় বেঁচে যান দম্পতি। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এলাকা। ঘরে ছিল পাঁচবছরের কন্যা। ভেসে যায় সে। দম্পতির কানে আসে, ‘মা-বাবা’ এই দু’টি শব্দ। জ্ঞান হারান তাঁরা। ঘটনার ৬০ ঘণ্টা পর মৃত্যুস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা গিয়েছে শিশুকন্যাকে। তাকে ৩০ আগস্ট বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কাছে শিশুকন্যার প্রশ্ন, “আমাকে বাঁচাতে এলে না কেন?” নেপাল বিপর্যয়ের পর অসহায় মাতৃত্বের উত্তর, “আমরা ভাবিনি ও বেঁচে থাকবে।”

সর্বগ্রাসী জল নেমে যাওয়ার প্রায় ৬০ ঘণ্টার পর মনীষার কাছে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। কান্নার শব্দ শুনতে পারেন তাঁরা। সদস্যরা প্রথমে মনে করেছিলেন বেড়াল কাঁদছে। হাত দিয়ে মাটির স্তূপ সরাতে থাকে তাঁরা। উদ্ধার করা হয় শিশুকন্যাকে। চোখ-মুখে মারাত্মক আঘাত ছিল তার। এ দিকে শিশুকন্যাকে উদ্ধারের ভিডিও দেখেন বাবা-মা। তাঁরাও খোঁজ খবর শুরু করেন। চিকিৎসার পর মনীষার অবস্থা স্থিতিশীল হলে, ৩০ আগস্ট তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

নেপাল বিপর্যয়ের সকালে কাজের জন্য বেরচ্ছিলেন দম্পতি। বাড়িতে ছিল ৫ বছরের মেয়ে মনীষা। কয়েক সেকেন্ডের পরই ধেয়ে আসে ‘মৃত্যুস্রোত’। খেলনার মতো ভেসে যায় বাড়ি, লোহার ব্রিজ। ‘মৃত্যুপুরী’তে পরিণত হয় উত্তর নেপাল। সেই জলরোষে ভেসে যায় পাঁচ বছরের মনীষা। তার বাড়ির যে এলাকায় ছিল তার কিছুটা দূরে একটি বাঁকে আটকে যায় ছোট্ট মনীষা। সেখানে হাওয়া চলাচল ছিল, তাতেই বেঁচে যায় শিশুকন্যা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সর্বগ্রাসী জল নেমে যাওয়ার প্রায় ৬০ ঘণ্টার পর মনীষার কাছে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। কান্নার শব্দ শুনতে পারেন তাঁরা। সদস্যরা প্রথমে মনে করেছিলেন বেড়াল কাঁদছে। হাত দিয়ে মাটির স্তূপ সরাতে থাকে তাঁরা। উদ্ধার করা হয় শিশুকন্যাকে। চোখ-মুখে মারাত্মক আঘাত ছিল তার। এ দিকে শিশুকন্যাকে উদ্ধারের ভিডিও দেখেন বাবা-মা। তাঁরাও খোঁজ খবর শুরু করেন। চিকিৎসার পর মনীষার অবস্থা স্থিতিশীল হলে, ৩০ আগস্ট তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পরিবারের কাছে ফিরেই বাবা-মার কাছে মনীষার প্রশ্ন, ‘আমাকে বাঁচাতে এলে না কেন?’ শিশুকন্যার বাবা একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “ওই অভিশপ্ত দিনের সকালে আমরা ব্রেকফাস্ট করে মাঠে কাজে যাওয়ার সময় বেরচ্ছিলাম। সেই সময় সর্বগ্রাসী বান আসে। মেয়েকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে অজ্ঞান হয়ে যাই। মেয়েকে ফিরে পিয়েছি। আমরা ভাবিনি ও বাঁচবে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.