সরাসরি সংঘাত নেই। অথচ রণক্ষেত্র মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার বিরুদ্ধে রাশিয়ার হাত যে কতটা লম্বা, তা নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে রহস্য। এই পরিস্থিতিতে একটি চাঞ্চল্য রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে রাশিয়া গোপনে ইরানের উন্নত ‘সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’ তৈরির কাজে সহায়তা করে আসছে। এর প্রধান লক্ষ্য হল আমেরিকাকে জব্দ করা। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চালাচ্ছে মস্কো।
রাশিয়ার এই গোপন কর্মসূচির সাংকেতিক নাম সি৪৩০এল। জানা গিয়েছে, মস্কোর অত্যন্ত অভিজ্ঞ কয়েকজন ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ইরানকে এমন একটি ‘র্যামজেট প্রপালশন সিস্টেম’ তৈরিতে সহায়তা করা, যা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকে শব্দের গতির চেয়েও কয়েক গুণ বেশি গতিতে চালিত করতে সক্ষম। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এবং অনেক কম উচ্চতায় ওড়ার কারণে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রকে শনাক্ত ও প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয় আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন:
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ফাইনানসসিয়ল টাইমস’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে রাশিয়া-ইরান গোপন এই সামরিক সহযোগিতা কর্মসূচিটি শুরু হয়। এর ফলে দুই দেশের সম্পর্ক শুধু প্রচলিত অস্ত্র কেনাবেচার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, কারিগরি দক্ষতা ইরানের হাতে তুলে দেওয়ার দিকেও অগ্রসর হয় মস্কো। ফলে তেহরানের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার তৈরিতে ইরানকে রাশিয়ার ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি করা হয়েছে ও রিপোর্টে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীকে জব্দ করতেই এমন অস্ত্র তৈরিতে ইরানকে সহায়তা করছে রাশিয়া। তবে যুদ্ধে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে ইরান আদৌ ব্যবহার করেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভুয়ো এসসি সার্টিফিকেট দেখিয়ে অধ্যাপনা! অধ্যাপককে সাসপেন্ড করল পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়
-
মিষ্টিতে হোলির রং, ক্ষতিকারক রং বিরিয়ানিতেও! আরামবাগ অভিযানে চোখ কপালে সরকারি আধিকারিকদের
-
ভারী বৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিধস সিকিমে! একাধিক জায়গায় জারি লাল সতর্কতা, শঙ্কায় পর্যটকরা
-
টানা ব্যর্থতার পর তড়িঘড়ি গম্ভীর-আগরকর-লক্ষ্মণকে তলব বিসিসিআইয়ের, চাকরি যাবে কার?
-
নেশামুক্ত বাংলা গড়ার ডাক, পাচারের আগেই লক্ষ লক্ষ কফ সিরাপে রোড রোলার চালালেন শুভেন্দু