Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jagannath Temple

জগন্নাথের পায়ে ফুল পড়তেই উধাও, পোশাকেও ছেদ! ‘ভিলেনে’র খোঁজে পুরীর মন্দিরে হুলস্থুল

জগন্নাথ মন্দিরের এক আধিকারিক জানান, করোনা পরিস্থিতির মন্দিরে ভক্ত সমগম অনেকটাই কমে গিয়েছিল। সেই সময়েও এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৫:২৯

options
link
জগন্নাথের পায়ে ফুল পড়তেই উধাও, পোশাকেও ছেদ! ‘ভিলেনে’র খোঁজে পুরীর মন্দিরে হুলস্থুল zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

জগন্নাথ দেবের পায়ে দেওয়া হচ্ছে ফুল। কিছুক্ষণ পরই উধাও সেই সমস্ত ফুল। এখানেই শেষ নয়, বিগ্রহের পোশাকেও দেখা যাচ্ছে ছেদ! যা নিয়ে একেবারে হুলস্থুল পড়ে যায়। এর পিছনে কে? একটু সতর্ক হতেই বোঝা গেল, এগুলো কাদের কীর্তি। এই ঘটনার জেরে পুরীর মন্দিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিড়ম্বনা। ইঁদুর আর আরশোলার তাণ্ডবে অস্থির সেবায়েতরা। দ্বাদশ শতাব্দীর ঐতিহাসিক জগন্নাথ মন্দিরে সব তছনছ করে দিচ্ছে তারাই। এখন সমস্যা হল, মন্দিরের মধ্যে কোনও প্রাণীকে মারা যাবে না। এটাই রীতি! তাই তাদের কীভাবে জীবন্ত ধরে ছেড়ে দেওয়া যায়, সেটাই এখন চ্যালেঞ্জ।

জগন্নাথ মন্দিরের এক আধিকারিক জানান, করোনা পরিস্থিতির মন্দিরে ভক্ত সমগম অনেকটাই কমে গিয়েছিল। সেই সময়েও এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল।

মন্দিরের নিয়ম অনুযায়ী মন্দির চত্বরের ভিতরে কোনও প্রাণী বা কীটপতঙ্গ হত্যা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই বিষাক্ত ওষুধ বা রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার না করে ঐতিহ্যবাহী উপায়ে ফাঁদ পেতে ইঁদুরগুলোকে ধরে মন্দিরের বাইরে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, মাথাব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে আরশোলাও। সেগুলিকে ধরতেও অভিনব উপায় বের করা হয়েছে। গর্ভগৃহে গুড় ও অন্যান্য আঠালো পদার্থযুক্ত মাটির পাত্র রাখা হচ্ছে। তার গায়ে আটকে যাবে আরশোলাগুলি। এরপর সেগুলিকে বাইরে ছেড়ে দেওয়া হবে। যে সমস্ত ফাঁকফোকর দিয়ে ইঁদুর ও আরশোলা গর্ভগৃহে প্রবেশ করে, এএসআই-এর পরামর্শ নিয়ে সেগুলি বন্ধ করার কাজ চলছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জগন্নাথ মন্দিরের এক আধিকারিক জানান, করোনা পরিস্থিতির মন্দিরে ভক্ত সমগম অনেকটাই কমে গিয়েছিল। সেই সময়েও এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। সম্প্রতি ইঁদুর, আরশোলার মতো পতঙ্গের সংখ্যা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সময় যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এবারও সেই পন্থা ব্যবহার করা হচ্ছে।” এদিকে জগন্নাথ সংস্কৃতির গবেষকদের মতে, মন্দিরের ‘রেকর্ড অফ রাইটস’-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে গর্ভগৃহে ইঁদুর, বাদুড় বা বানরের উপদ্রব হলেও তাদের হত্যা করা যাবে না। মন্দিরের নির্দিষ্ট সেবায়েতদের উপরেই দায়িত্ব থাকে এই প্রাণীগুলোকে জীবন্ত ধরে বাইরে মুক্ত করার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.